ধর্ষণে অভিযুক্ত চার

কলকাতা: এনকাউন্টারে মারা হয়েছে তেলেঙ্গানার ধর্ষণে অভিযুক্তদের। গত কয়েকদিন ধরে এই ইস্যুতে উত্তপ্ত ছিল গোটা দেশ। এই প্রসঙ্গে মুখ খুলেছিলেন তসলিমাও। এনকাউন্টারের পর ফের প্রতিক্রিয়া দিলেন তিনি।

শুক্রবার সকালে এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই ট্যুইট করেছেন তসলিমা। তিনি লিখেছেন, ‘বাংলাদেশে জঙ্গি ও মাদক পাচারকারীদের এনকাউন্টারে মারা হয়। ভারতে ধর্ষণে অভিযুক্ত চারজনকে এনকাউন্টারে মারা হয়েছে। সময়, টাকা আর এনার্জি বাঁচল! সেদিক থেকে এটা ভালো। কিন্তু এটা কি সত্যিই ভালো?’

অর্থাৎ এনকাউন্টারের প্রক্রিয়া নয়ে প্রশ্ন তুলেছেন লেখিকা। পরে অন্য এটি ট্যুইটে তিনি লিখেছেন, ‘অপরাধীদের মেরে ফেলা তো সহজ। কিন্তু এমনভাবে শিক্ষা দেওয়া যাতে, তারা আর অপরাধ না করে, সেটা কঠিন। আমার সহজ পথ বেছে নিতেই পছন্দ করি।’

ভোররাতে শাদনগরের যে রাস্তায় ওই চিকিৎসকের অগ্নিদগ্ধ দেহ পাওয়া গিয়েছিল, সেখানেই এই ঘটনা ঘটে। চারজনই পুলিশের গুলিতে মারা গিয়েছে বলে জানিয়েছে তেলেঙ্গানা পুলিশ। প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, ঘটনার পুনর্নিমাণের জন্য তাদের ওই জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, তখনই তারা পালানোর চেষ্টা করলে গুলি চালায় পুলিশ।

এর আগেও এই ধর্ষণ প্রসঙ্গে তসলিমা লিখেছিলেন, ‘ধর্ষকদের মেরে কোনও লাভ নেই। সবার আগে পিতৃতান্ত্রিক শিক্ষাকেই শেষ করতে হবে।’ তিনি লেখেন, ‘পিতৃতান্ত্রিক শিক্ষা শেখায় যে মহিলারা মহিলারা নিকৃষ্ট প্রজাতির। শুধু সেক্স অবজেক্ট ছাড়া আর কিছুই নয়।’

তসলিমা আরও বলেন, যৌনবৃ্ত্তিকে আইনি তকমা দিয়ে একথা আরও স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে যে পুরুষের কাছে মহিলারা সেক্স স্লেভ ছাড়া কিছুই নয়। সুতরাং মহিলাদের ধর্ষণ করা বা অত্যাচার করা অস্বাভাবিক কিছু নয়।
হায়দরাবাদে পশু চিকিত্সক ওই তরুণীকে ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনায় সম্প্রতি উত্তাল হয় সংসদের উভয়কক্ষ।

সোমবার রাজ্যসভায় নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন সমাজবাদী পার্টির সাংসদ তথা অভিনেত্রী জয়া বচ্চন। তিনি বলেন, ধর্ষকদের আমজনতার হাতে তুলে দেওয়া হোক। মানুষই ওদের পিটিয়ে প্রকাশ্যে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দিক। জয়ার সেই দাবিকে সমর্থন করেছেন এরাজ্যের তৃণমূল সাংসদ মিমি চক্রবর্তী, বিজেপি এমপি রূপা গঙ্গোপাধ্যায়ও।