ফাইল ছবি৷

গুয়াহাটি: প্রয়াত তরুণ গগৈ। উত্তর পূর্বাঞ্চলের অন্যতম অভিভাবক রাজনৈতিক নেতার শেষযাত্রা হবে সর্বধর্ম সমন্বয়ে। অশীতিপর গগৈ প্রয়াত হন সোমবার। পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে ২৬ নভেম্বর।

অসমের সর্বাধিক সময়ের মুখ্যমন্ত্রী থাকা শীর্ষ কংগ্রেস নেতা তরুণ গগৈয়ের শেষযাত্রায় উত্তর পূর্বাঞ্চলের ৮টি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীদের থাকার সম্ভাবনা। তাঁর প্রয়াণ সংবাদে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী শোক জানিয়েছেন।

উত্তর পূর্ব ভারতের ৮ রাজ্য অসম, ত্রিপুরা, সিকিম, অরুণাচল প্রদেশ, নাগাল্যান্ড, মিজোরাম, মনিপুর, মেঘালয় সরকার শোক জানিয়েছে। ব্যক্তিগত শোক জানান অসমের মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল, সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী প্রেম সিং তামাং, মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমা, ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব,অরুণাচলের মুখ্যমন্ত্রী পেমা খাণ্ডু, নাগাল্যান্ডের মুখ্যমন্ত্রী নেইফিও রিও, মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রী জোরামথাঙ্গা, মনিপুরের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং। শোক জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

বর্ষীয়ান তরুণ গগৈ কংগ্রেসের অন্যতম শীর্ষ নেতা ছিলেন। ইন্দিরা গান্ধী পরবর্তী জাতীয় কংগ্রেসের অন্যতম নেতা হন। অসম সহ উত্তর পূর্ব ভারতের কংগ্রেসের অধিনায়ক ছিলেন তিনি। তাঁর প্রয়াণ সংবাদ পেয়েই গুয়াহাটি পৌঁছে শ্রদ্ধা জানান রাহুল গান্ধী। কংগ্রেসের সুপ্রিমো সোনিয়া গান্ধী বিশেষ শোক জানিয়েছেন।

প্রয়াত তরুণ গগৈয়ের সময়েই অসম সহ উত্তর পূর্বাঞ্চলের ভারতে কংগ্রেস বড় শক্তি হয়েছিল। তবে অসমে কংগ্রেসে পনের বছরের সরকার পতন হওয়া, কংগ্রেসের ভাঙন,বিজেপির উত্থান এটিও তাঁরই সময়ে হয়েছে। কিন্তু দলমত নির্বিশেষে তরুণ গগৈ জনপ্রিয় ছিলেন।

তাঁর পরিবারের তরফে অসম সরকারের প্রতি অনুরোধ করা হয়েছে সর্ব ধর্ম সমন্বয় যাত্রা করেই শেষ যাত্রার ব্যবস্থা করতে। সেই মতো মন্দির মসজিদ গুরদোয়ারা, চার্চ ঘুরেই পঞ্চভূতে বিলীন হবেন তরুণ গগৈ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I