নয়াদিল্লি: বদলে যাচ্ছে তারিখের পর তারিখ। নির্ভয়া গণধর্ষণকাণ্ডে দোষীদের ফাঁসির দিন ২২ জানুয়ারি থেকে বদলে দাঁড়িয়েছে ১ ফেব্রুয়ারি। এই ঘোষণার পর ক্ষোভপ্রকাশ করে নির্ভয়ার মা বলেছেন ‘ভারতীয় বিচারব্যবস্থা দোষীদের বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে, তাই তাঁদের প্রথমে রাখছে’।

চার দোষীর ফাঁসির নতুন তারিখ ঘোষণার পর আশা দেবী জানিয়েছেন, “দোষীরা যা চেয়েছিলেন তাই হয়েছে। তারিখের পর তারিখ দেওয়া হচ্ছে অপরাধীদের শাস্তির জন্য। আমাদের সিস্টেমটাই এমন যে দোষীদের কথা বেশী শোনা হয়”।

দিল্লি হাইকোর্ট শুক্রবার নির্ভয়াকাণ্ডে চার দোষী বিনয় শর্মা, মুকেশ কুমার, পবন গুপ্ত ও অক্ষয়কুমার সিংহকে ফাঁসির আদেশ পিছিয়ে দিয়েছে। এদিকে এদিনই নির্ভয়ার অভিযুক্তের প্রাণ ভিক্ষার আর্জি খারিজ করে দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। বলা হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর কমপক্ষে ১৪ দিন সময় দেওয়া হয় মৃত্যুর জন্য মানসিকভাবে নিজেকে তৈরি করার জন্য, তাই এমন সিদ্ধান্ত বলেই জানা গিয়েছে।

ফের তারিখ পিছিয়ে যাওয়ার জন্য নিশ্চিতভাবেই অখুশি আশা দেবী প্রধানমন্ত্রীর কাছে হাতজোড় করে আবেদন জানিয়েছিলেন যাতে ২২ জানুয়ারিতেই ফাঁসি কার্যকর হয়। পাশাপাশি তিনি একটি সাক্ষাৎকারে ভেঙে পড়েছেন, রাজনৈতিক দলগুলি নির্ভয়ার ব্যাক্তিগত লাভর জন্য ব্যবহার করছে।

২০১২ সালে গণধর্ষণের শিকার হয়ছিল নির্ভয়া। সে প্যারামেডিকসের ছাত্রী ছিল। বন্ধুদের সঙ্গে বাড়ি ফেরার সময় ফাঁকা বাসে নৃশংস গণধর্ষণের শিকার হয়েছিল নির্ভয়া। ২০১২ সালের ডিসেম্বররের ১৬ তারিখ এই ঘটনা ঘটে।

বিচারের আশায় দিনের পর দিন ঘুরে বেড়াতে হয়েছে তাঁর মা আশা দেবীকে। অনেক চোখের জল ফেলেছেন তিনি। দিনের পর দিন ধর্ষণের প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছেন। দু’বছর আগেই অভিযুক্তদের মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছিল সর্বোচ্চ আদালত। এরপর প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ না হওয়ায় ফাঁসি কার্যকর হয়নি।

হাল ছাড়েননি নির্ভয়ার বাবা-মা। মেয়ের আত্মা যাতে শান্তি পায়, তার জন্য দোষীদের শাস্তি চেয়েছেন বারবার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I