তারাপীঠে মা তারা পূজিত হচ্ছেন।

স্টাফ রিপোর্টার, সিউড়ি: আজ, বৃহস্পতিবার কৌশিকী অমাবস্যা। এদিনই একটি পরিত্যক্ত ব্যাগ ঘিরে বোমাতঙ্ক ছড়াল তারাপীঠ মন্দির সংলগ্ন এলাকায়৷ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে বম্ব স্কোয়াড৷

কৌশিকী অমাবস্যার বিশেষ তিথি উপলক্ষ্যে এদিন মহাপীঠ তারাপীঠ সেজে উঠেছে। বুধবার থেকেই এখানে আসতে শুরু করেন দূর-দূরান্তের ভক্ত থেকে শুরু করে সাধু-সন্ন্যাসীরা। আজ সকাল থেকে আরও ভিড় বাড়তে শুরু করেছে৷ মন্দির চত্বর জুড়ে জমজমাট৷ এরমধ্যেই এদিন দ্বারকা নদীর সেতু পেরিয়ে মন্দির যাওয়ার পথে স্টেট ব্যাংক চত্বরে একটি ব্যাগ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা।

আরও পড়ুন : ফের কলকাতায় আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত

কোনও পুণ্যার্থী ব্যাগটি ফেলে গিয়েছেন বলেই প্রথমে মনে করেন তাঁরা। তবে বেশ কিছুক্ষণ পেরিয়ে যাওয়ার পরও ব্যাগটির মালিকের খোঁজ না মেলায় সকলেই একটু উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। লোকমুখে ছড়িয়ে পড়ে ওই ব্যাগের মধ্যে বোমা রাখা হয়েছে। আতঙ্কিত হয়ে পড়েন কৌশিকী অমাবস্যা উপলক্ষে মন্দিরে আসা ভক্তরা।

এরপরই তাঁরা মন্দিরে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশকর্মীদের বিষয়টি জানায়৷ তারা খবর দেয় বম্ব স্কোয়াডে৷ প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশকর্মীরা। ওই চত্বর থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে পুণ্যার্থীদের৷ পুলিশসূত্রে খবর, ব্যাগটিতে হিন্দি ভাষায় কিছু লেখা রয়েছে। ব্যাগের ভিতরে আদৌ কী রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে বম্ব স্কোয়াড।

আরও পড়ুন : সমৃদ্ধি লাভে সিঁদুর পরাতে হয় গণেশকে, সঙ্গে বিশেষ মন্ত্র

তা সত্ত্বেও কীভাবে পরিত্যক্ত ব্যাগটি ওই এলাকায় এল, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। এলাকায় নিরাপত্তা আঁটসাঁট করা হয়েছে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।