হুগলি;  রেস্তোরাঁর আড়ালে রমরমিয়ে মধুচক্র চালানোর অভিযোগ। তারকেশ্বরের একাধিক রেস্তোরাঁর মধ্যে এমন মধুচক্র চালানোর অভিযোগ। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মঙ্গলবার সকালে হঠাত করে ওই সমস্ত রেস্তোরাতে হানা দেয় পুলিশ। কার্যত আপত্তিকর অবস্থায় সেখান থেকে আটক করা হয় বেশ কয়েকজন যুবক-যুবতীকে। হোটেলগুলির মধ্যে থাকা কেবিনে এই মধুচক্র চালানোর অভিযোগ রয়েছে। দিনের পর দিন পুলিশকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে কীভাবে হোটেলের মধ্যে মধুচক্র চলছিল তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। তবে ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত কয়েকদিন ধরেই তারকেশ্বরের বিভিন্ন হোটেলের মধ্যে বিশেষত কেবিনের মধ্যে মধুচক্র চালানোর অভিযোগ উঠেছিল। অভিযোগ আসতে থাকে হোটেলের মধ্যে একেবারে বেআইনিভাবে এই কেবিন বানানো হয়েছিল। একেবারে পর্দা ঢাকা অবস্থায় তৈরি হয়েছিল এই কেবিনগুলি। সাধারণ মানুষ কেন, কেবিনের মধ্যে কি চলছে তা দেখা যেত না বাইরে থেকে।

আর সেই অজুহাতেই এই সমস্ত হোটেলগুলিতে যুবক-যুবতীদের বিড় বাড়ছিল। বিশেষ করে স্কুল এবং কলেজ পড়ুয়াদের বেশি ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছিল এই সমস্ত হোটেলে। আর সেখানে লোকচক্ষুর আড়ালে রমরমিয়ে চলছিল দেহব্যবসা। এই সংক্রান্ত একাধিক অভিযোগ জমা পড়ে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনে। আর তা জমা পড়ার পরেই নড়েচড়ে বসে পুলিশ।

এদিন অতর্কিতে এই সমস্ত হোটেলগুলিতে হানা দেয় পুলিশ। সেখানে ঢুকে কার্যত চক্ষুচড়ক অবস্থা হয় পুলিশ আধিকারিকদের। দেখা যায় একেবারে কেবিনের মধ্যে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় রয়েছে একাধিক যুবক-যুবতি। হাতেনাতে তাঁদের আটক করা হয়। সিল করেদেওয়া হয়েছে দেহ ব্যবসা চালানো হোটেলগুলি।