মুম্বই: লকডাউন এর মধ্যেই দুঃসংবাদ অভিনেত্রী তাপসি পান্নুর পরিবারে। প্রয়াত হলেন অভিনেত্রীর ঠাকুমা। ইনস্টাগ্রামে একটি পোষ্টের মাধ্যমে নিজেই এই মৃত্যু সংবাদ দিয়েছেন তাপসি। ঠাকুমার মৃত্যু সংবাদে তাঁর পরিবারে শোকের ছায়া। কারণ ওই প্রজন্মের শেষ প্রতিনিধি ছিলেন তিনিই।

ইনস্টাগ্রামে গুরদ্বারার একটি ছবি শেয়ার করেছেন তাপসি। সেখানেই ফুলমালা সাজানো তাঁর ঠাকুরমার ছবি রয়েছে। ছবির ক্যাপশনে তাপসি লিখেছেন, “সেই প্রজন্মের শেষ প্রতিনিধি আমাদের শূন্য করে চলে গেলেন। এই শূন্যতা সব সময় বজায় থাকবে, বিজি।” পাঞ্জাবি ভাষায় ঠাকুমা দিদাকে ‘বিজি’ বলা হয়। কিন্তু কীভাবে এবং কবে তাঁর ঠাকুমার মৃত্যু হয়েছে সে ব্যাপারে খোলাখুলি কিছু বলেননি তাপসি।

তাপসির ভক্তরা সমবেদনা জানিয়েছেন তাঁকে। কেউ লিখেছেন ‘ঈশ্বর আপনাকে এবং আপনার পরিবারকে শক্তি দিক’। কেউ আবার লিখেছেন ‘ঠাকুমার আত্মার শান্তি কামনা। করি আপনি ভালো থাকুন। তাপসির সহ অভিনেতারাও তাঁকে সমবেদনা জানিয়েছেন।

বোন শগুন পান্নুর সঙ্গে মুম্বইয়ের ফ্ল্যাটে থাকেন তাপসি। লকডাউনেও বোনের সঙ্গেই সময় কাটাচ্ছেন তিনি। তবে তাঁর মা-বাবাকে নিয়ে নিশ্চিন্ত আছেন তাপসি। কিছুদিন আগে এক সংবাদমাধ্যমের কাছে তিনি বলেছিলেন, “আমি সত্যি খুশি যে আমার বাবা ও মা কেউ কোন রেড জোনের কাছাকাছি থাকেন না। তাঁরা দুজনেই ষাটোর্ধ্ব আর তাই একটু বেশি সচেতন থাকা তাঁদের প্রয়োজন। আমার বাবা অবসরপ্রাপ্ত এবং মা একজন হাউস ওয়াইফ। অধিকাংশ সময়ই তাঁরা ঘরের ভেতরে থাকেন। মাঝেমধ্যে সামনে একটু হাঁটতে বেরন, বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করেন এবং কাছেই গুরদ্বারা বা দোকানপাটে যান। তাই লকডাউন যেভাবে আমাদের উপর প্রভাব ফেলেছে সেই প্রভাব ওঁদের ওপর পড়েনি। বরং মা-বাবা আমাদের অবস্থা নিয়ে বেশি চিন্তিত।

প্রসঙ্গত, লকডাউন শুরু হওয়ার কিছুদিন আগেই মুক্তি পেয়েছিল তাপসি পান্নু অভিনীত ছবি থাপ্পড়। কিন্তু লকডাউন শুরু হয়ে যাওয়ার ফলে সেই ছবি আর দেখার সুযোগ পায়নি দর্শকরা। অবশেষে সপ্তাহ খানেক আগে অ্যামাজন প্রাইম প্লাটফর্মে সেই ছবিটি মুক্তি পায়। তাপসির অভিনয়ের পাশাপাশি ছবির বিষয় দর্শকমহলে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প