কলকাতা:  রণক্ষেত্র যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়কে হেনস্থা করার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ করলেন তৃণমূল নেতা তাপস রায়। এই ঘটনা প্রসঙ্গে তাপস রায় বলেন, এই কাজ মোটেই নায়কোচিত নয়। একই ভাবে এই ঘটনার নিন্দা করেছেন বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা।

রাহুল সংবাদমাধ্যমের কাছে জানান, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে গুন্ডা ইউনিট তৈরি হয়েছে। বিরোধী দল কোনওরকম কিছু করতে গেলে বাধা দেয়। গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ করতে চাইছে। অখিল ভারতী বিদ্যার্থী পরিষদের অনুষ্ঠানে গায়ক হিসেবে গিয়েছিলেন বাবুল সুপ্রিয়। পশ্চিমবাংলায় গণতন্ত্র কতটা বিপন্ন এতে স্পষ্ট। গুন্ডা রাজনীতির আখড়া তৈরি হয়েছে যাদবপুরে।

অনুষ্ঠানে গায়ক হিসেবে গেলেও, বাবুল সুপ্রিয় এদিন জানান, নকশাল করলেই জেলে যেতে হবে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক পড়ুয়া নিজেকে নকশাল বলে পরিচয় দেওয়ার পরেই এই মন্তব্য করেন বাবুল।

এই ঘটনার নিন্দা হয়েছে বাম শিবির থেকেই। সুজন চক্রবর্তী এই ঘটনার সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, ছাত্ররা কালো পতাকা দেখাতে পারেন। কিন্তু গায়ে হাত তোলাকে মোটেই সমর্থন করি না। প্রতিবাদের একটা ধরন রয়েছে। এটা সমর্থনযোগ্য নয়।

প্রসঙ্গত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের করতে রাজ্যপাল জগদীশ ধনকড় পৌঁছে যান। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছে কার্যত বিক্ষোভকারীদের হাত থেকে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়কে উদ্ধার করলেন তিনি৷ নিজের গাড়িতে উঠিয়ে নেন বাবুলকে৷ যদিও প্রায় ঘণ্টা দেড়েক আটকে থাকার পর অবশেষে রাত আটটা নাগাদ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন নম্বর গেট দিয়ে বেরিয়ে যায় রাজ্যপালের কনভয়৷ সঙ্গে ছিলেন বাবুল সুপ্রিয়ও৷