কলকাতা:  করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হিন্দু সংহতির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য তপন ঘোষ। আজ রবিবার সন্ধ্যায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। তাঁর প্রয়াণে শোকের ছায়া নেমেছে অনুগামীদের মধ্যে। ইতিমধ্যে এই ঘটনার খবর সামনে আসতেই শোক প্রকাশ করেছেন বহু রাজনৈতিক নেতারা। শোক প্রকাশ করেছেন বিজেপির প্রথম সারির নেতারা। একই সঙ্গে ডান, বামের নেতারা তপন ঘোষের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ জানিয়েছেন।

জানা যাচ্ছে, গত কয়েকদিন ধরেই ভুগছিলেন তিনি। সম্প্রতি শরীরে ছিল করোনার উপসর্গও। গত মাসের ২৮ তারিখে করোনা ভাইরাসের আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভরতি করা হয় তাঁকে। কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চলছিল তাঁর চিকিৎসা। চিকিৎসাতে সাড়াও দিচ্ছিলেন। যা দেখে ডাক্তাররাও স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে শুরু করে। কিন্তু আজ রবিবার সন্ধ্যায় হঠাত করেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তপন ঘোষ।

দীর্ঘ ১৪ দিনের লড়াইয়ের ইতি ঘটে আজ রবিবার সন্ধ্যায়। দীর্ঘ দিন তপন ঘোষ রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরে ২০০৭ সালে তিনি হিন্দু সংহতি নামক নয়া সংগঠন চালু করেন। পশ্চিমবঙ্গের সকল জেলায় শাখা খোলা হয় এই সংগঠনের। পরে বাংলার বাইরেও এই সংগঠনের শাখা খোলা হয়।

মূলত হিন্দুদের নিয়েই তৈরি হয় এই সংগঠন। এই সংগঠনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ ওঠে। এমনকি প্রকাশ্যে ধর্মান্তকরণের অভিযোগও ওঠে। বিশেষ করে ২০১৭ সালে কলকাতায় ধর্মতলায় বিশাল জনসভার আয়োজন করেন তপন ঘোষ। সেই সভা থেকে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তপন ঘোষের বিরুদ্ধে। এমনকি ধর্মতলায় প্রকাশ্যে ধর্মান্তকরণের অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে।

এরপরেই রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে হিন্দু সংহতি এবং তপন ঘোষের সভা নিষিদ্ধ করা হয়। ওই বছরেই হিন্দু ধর্ম সম্বন্ধীয় বক্তব্য পেশ করতে বিদেশ যাত্রাও করেন তপনবাবু। বিদেশে তাঁর বক্তব্য ঘিরেও তৈরি হয় একাধিক বিতর্ক। কিন্তু কোনও দিনই দমে যাননি। হিন্দুদের পক্ষে দাঁড়িয়ে লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ