ঢাকা: ভারত সীমান্তের গভীর জঙ্গলে জঙ্গিদের গোপন বাংকারে মাটির তলায় মজুত রকেট লঞ্চার বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। কোন সংগঠন এই আগ্নেয়াস্ত্র জমা করেছিল তা স্পষ্ট করেনি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ(বিজিবি)। তবে সন্দেহের তালিকায় ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলি।

বাংলাদেশের হবিগঞ্জ জেলার সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের গহীন অরণ্য থেকে ট্যাংক বিধ্বংসী রকেট লঞ্চারের ১৮টি গোলা উদ্ধার করা হয়েছে। হবিগঞ্জে সাংবাদিক সম্মেলনে বিজিবির ৫৫ ব্যাটালিয়নের লেফটেন্যান্ট কর্নেল সামিউন্নবী চৌধুরী একথা জানান।

বিজিবি জানিয়েছে, মঙ্গলবার রাতভর সাতছড়ি অরণ্যে চলেছে অভিযান। গোয়েন্দা সূত্রে খবর এসেছিল, এই এলাকায় বেশ কয়েকজনের আনাগোনা সন্দেহজনক। এরপরেই অভিযান চলে।
তাদের এখনও শনাক্ত করা যায়নি

ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সীমান্তবর্তী এলাকা বাংলাদেশের হবিগঞ্জ জেলার সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান। বিজিবির একটি বিশেষ দল সাতছড়ির গহীন অরণ্যে সীমান্তবর্তী পাহাড়ের গর্ত থেকে এসব রকেট লঞ্চারের গোলা উদ্ধার করেছে। বিপুল গোলাবারুদের সন্ধান পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে এসব অনেক পুরনো।এগুলো যত পুরোনো হয় তত তার ক্ষমতা বাড়তে পারে। এগুলো পুরোনো হলে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে।’

আগেও এই অঞ্চলে জঙ্গি ডেরা ধংস করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ। উদ্ধার করা হয়েছে বিপুল পরিমান আগ্নেয়াস্ত্র। সাতছড়ি অরণ্য ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন অল ত্রিপুরা টাইগার ফোর্স(এটিটিএফ), ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট অফ ত্রিপুরা (এনএলএফটি) এবং অসমের বিচ্ছিন্নতাবাদী আলফা গোষ্ঠীর ঘাঁটি ছিল একসময়।

সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে অভিযানে ২০১৪ সালের ১ জুন থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রথম তিন দফায় অভিযান চলে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে। ট্যাংক বিধ্বংসী রকেট, রকেট চার্জার, রকেট লঞ্চার, মেশিনগান সহ প্রায় ১৬ হাজার বুলেটের বিপুল অস্ত্র সম্ভার উদ্ধার করে ব়্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন
(র‌্যাব)।

২০১৪ সালের ১৬ অক্টোবর চতুর্থ দফার মাটি খুঁড়ে তিনটি মেশিনগান, চারটি ব্যারেল, আটটি ম্যাগজিন, ২৫০টি গুলি ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন আটটি বেল্ট ও উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন একটি রেডিও উদ্ধার করা হয়। ১৭ অক্টোবর এসএমজি ও এলএমজির আট হাজার ৩৬০ রাউন্ড, রাইফেলের ১৫২ রাউন্ড, পিস্তলের ৫১৭ রাউন্ড, মেশিনগানের ৪২৫ রাউন্ডসহ মোট ৯ হাজার ৪৫৪ রাউন্ড বুলেট উদ্ধার করা হয়। ২০১৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারি সাতছড়িতে অভিযান চালিয়ে ১০টি হাই এক্সক্লুসিভ ৪০ এমএম ট্যাঙ্ক বিধংসী রকেট লঞ্চার উদ্ধার করা হয়।

পঞ্চম দফায় ২০১৯ সালের ২৪ নভেম্বর সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান থেকে ১৩টি রকেট লঞ্চারের শেলসহ বেশকিছু বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়

বুধবার ষষ্ঠ দফায় মিলেছে রকেট লঞ্চারের ১৮টি গোলা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।