প্রতীকি ছবি

চেন্নাই: ১৬ ডিসেম্বর ২০১২ সালে ঘটে যাওয়া নির্ভয়া কান্ডের পরে কেঁপে গিয়েছিল গোটা দেশ। দোষীদের শাস্তির দাবির পাশপাশি সেই সময়ে আরো একটি বিষয় প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছিল তা হল সচেতনতা। আর তা যে সেভাবে ফেরেনি তার জ্বলন্ত উদাহরণ ভেলোরের একটি ফোর্টের ভেতরে ঘটে যাওয়া গনধর্ষণ।

নির্ভয়া কান্ডের পরে একাধিক বিদ্বজ্জন নারী স্বাধীনতা নিয়ে কথা বলেছেন। আঙ্গুল তুলেছেন বর্তমান সমাজ ব্যবস্থার দিকেও। কিন্তু তারপরেও পরিস্থিতির খুব একটা উন্নতি হয়নি তার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে হায়দরাবাদ, উন্নাও ঘটনার মধ্য দিয়ে। আর ভেলোরের এই ঘটনা আবারও ফিরিয়ে নিয়ে গেল ২০১২ সালের ওই ভয়ঙ্কর সন্ধ্যায়।

যদিও ২৪ বছর বয়সী ওই মহিলাকে গণধর্ষণ করার অপরাধে দুজন অভিযুক্তকে ইতিমধ্যে গ্রেফতার করেছে। জানা গিয়েছে ওই মহিলাকে রীতিমত ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করা হয়েছিল। যদিও তৃতীয় অভিযুক্তকে এখন ধরা যায়নি। তবে তল্লাশী চলছে বলেও জানানো হয়েছে পুলিশের তরফে। শনিবার সন্ধে নাগাদ নির্যাতিতা তরুণী তার বন্ধুর সঙ্গে ভেলোর ফোর্টের কাছে একটি পার্কে ঘুরতে গিয়েছিল। সেখান থেকে তিনজন তাঁদের উত্যক্ত করা শুরু করেছিল।

ওই তিনজন ছুরি নিয়ে রীতিমত তাঁদের ধমকেছিল বলেও জানিয়েছেন ওই নির্যাতিতা তরুণীর বন্ধু। এও জানিয়েছেন তাকে বাধ্য করা হয়েছিল ওই জায়গা থেকে চলে যাওয়ার জন্য। আর তার চলে যাওয়ার পরে ওই তরুণীকে ধর্ষণ করা হয়েছিল বলেও জানিয়েছেন ও বন্ধু। পুলিশ ইতিমধ্যে মনিকন্দন, সক্তিনাথান এবং অজিত কে ওই ঘটনায় অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করেছে। নির্যাতিতা জানিয়েছেন অভিযুক্ত তিনজন তাঁদের মোবাইল ফোন এবং কাছে থাকা গয়না চুরি করেছিল।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ