চেন্নাই: এবার থেকে আধার কার্ড না থাকলে সেলুনের দরজা আপনার জন্য বন্ধ। চুল কাটতে গেলে এবার থেকে বাধ্যতামূলকভাবে দেখাতে হবে আধার কার্ড, এমনই নিয়ম করেছে তামিলনাডু সরকার।

সেলুনে যারা আসছেন পরিষেবা দেওয়ার আগেই তাঁদের নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর এবং প্রত্যেকের আধার কার্ড নম্বরের রেকর্ড রাখার জন্যই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

রবিবারই বারবার সপ এবং সেলুন খোলার অনুমতি পেয়েছে তামিলনাডু। রাজ্য সরকারের তরফে সোশ্যাল ডিসট্যানসিং বজায় রাখার জন্য জারি করা হয়েছে গাইডলাইন।

করোনা সংক্রমণকে গুরুত্ব দিয়ে রবিবারই রাজ্যে লকডাউন জুন মাসের ৩০ তারিখ অবধি বাড়ানো হয়েছে। তবে কিছুটা হলেও শিথিল করা হয়েছে নিয়ম। আংশিকভাবে পাবলিক ট্রান্সপোর্ট এবং রেস্তোরা খোলার অনুমতি মিলেছে।

তবে আধার নম্বর না থাকলে সেলুন ওই ব্যাক্তিকে পরিষেবা দিতে অস্বীকার করবে কিনা তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে আধার কার্ড ছাড়া অন্য কোনও ডকুমেন্ট এইক্ষেত্রে রেজিস্ট্রেশন হিসেবে ব্যবহার করা যাবে কি না সে বিষয়টিও পরিষ্কার নয়।

তবে সেলুনের কর্মীদের স্যানিটাইজ করতে হবে বারবার। বাধ্যতামূলকভাবে কাজের শুরু এবং শেষে তবে তাঁদের মাস্ক এবং গ্লোভস পরে থাকতে হবে। পাশাপাশি সেলুনের সবরকম জিনিস দিনে কমপক্ষে পাঁচবার করে হাইপোক্লোরাইটের মিশ্রণ ব্যবহার করে স্যানিটাইজ করতে হবে।

তবে এই গরমে আরাম নেওয়া সেলুনে আর সম্ভব নয় কারণ সব এয়ার কন্ডিশনার বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়ে জানলা এবং দরজা খোলা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মার্চ মাসের ২৫ তারিখ থেকে করোনা ভাইরাসের জন্য চলছে লকডাউন। তবে চতুর্থ দফার লকডাউনের পরে কিছুটা শিথিল করা হয়েছে নিয়ম তবে কনটেইনমেন্ট জোনগুলিতে নিয়মে কোনও বদল হচ্ছে না বলেও জানা গিয়েছে।

মে মাসে তামিলনাডু সরকার গ্রামাঞ্চলে সেলুন পুনরায় খোলার অনুমতি দিয়েছিল। শেষ কিছুদিনে তামিলনাডু দেশের অন্যতম করোনা বিধ্বস্ত রাজ্য বলেই দেখা গিয়েছে। বর্তমানে তামিলনাডু করোনা সংক্রমণে মহারাষ্ট্রের পরেই। অর্থাৎ দেশের মধ্যে দ্বিতীয়স্থানে রয়েছে। মঙ্গলবার পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই রাজ্যে মোট করোনা সংক্রমিত ২৩,৪৯৫ জন।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প