চেন্নাই : দেশ জুড়ে পয়লা সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হতে চলেছে আনলক ৪.০। এরই মধ্যে ৩০শে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত লকডাউনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে তামিলনাড়ু সরকার। এআইএডিএমকে সরকার জানিয়েছে রাজ্যে ৩০শে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত লকডাউন চললেও বেশ কিছু ছাড় দেওয়া হবে।

রবিবার তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী কে পালানিস্বামী জানান বেশ কিছু ছাড়ের নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। রাজ্যের অর্থনীতি ও জীবনযাত্রা স্বাভাবিক পথে আনতে এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।

কি কি খোলা থাকবে, জানানো হয়েছে নির্দেশিকায়- ১] বিভিন্ন জেলায় অর্থাৎ আন্তঃজেলা যাতায়াতে ছাড়। ই পাস দেবে রাজ্য সরকার। অন্য রাজ্য থেকে তামিলনাড়ুতে প্রবেশের জন্য লাগবে বিশেষ ই পাস। লাগবে ভিন রাজ্যের যাত্রীদের আধার কার্ড, মোবাইল নম্বর।

২] রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকবে ধর্মস্থান। তবে ধর্মস্থানে প্রবেশের জন্য কিছু নিয়ম জারি করা হয়েছে। ৩] শপিং মলে থাকতে পারবে ১০০ শতাংশ কর্মী। তবে এসি চালানোর ব্যাপারে জারি করা হয়েছে নিয়মাবলী। পয়লা সেপ্টেম্বর থেকে বাস চালু হবে চেন্নাইয়ে। রাত ৮টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

৪] চায়ের দোকান ও খাবার দোকান খোলা থাকবে সকাল ৬টা থেকে রাত টা পর্যন্ত। ৫] কারখানা ও আইটি পার্কগুলিতে ১০০ শতাংশ কর্মী কাজ করতে পারবে। তবে আইটি সেক্টর ওয়ার্ক ফ্রম হোম করবে।

৬] সর্বাধিক ৭৫জনকে নিয়ে শ্যুটিং করতে পারা যাবে। তবে কোনও দর্শক সেখানে জমায়েত করতে পারবে না।

৭] ১৫ই সেপ্টেম্বর থেকে আন্তঃরাজ্য ট্রেন পরিষেবা চালু করা যেতে পারে। তবে তা নির্দিষ্ট সংখ্যক হবে। ৮] অন্য রাজ্য থেকে চেন্নাইতে দিনে ৫০টি বিমান অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

এদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নতুন গাইডলাইনে জানানো হয়েছে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সব কনটেনমেন্ট জোনে লকডাউন চালু থাকছে। এই গাইডলাইনে আরও বলা হয়েছে, কনটেনমেন্ট জোনে লকডাউন জারি থাকলেও তার বাইরে কোনও সম্পূর্ণ লকডাউন জারি করা যাবে না।

ডিস্ট্রিক্ট কালেকটরদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটে কনটেনমেন্ট জোনের তালিকা প্রকাশ করা হয়। কনটেনমেন্ট জোনের বাইরে লকডাউন জারি করতে গেলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের বিশেষ অনুমতি নিতে হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

কোন কনটেনমেন্ট জোন নতুন যুক্ত হল, কোনটা বাদ গেল, সেই তথ্যও দিতে হবে ওয়েবসাইটে। জেলার মধ্যে যানবাহন চলাচলে কোনও নিয়ন্ত্রণ আর থাকছে না। যাতায়াত করার ক্ষেত্রে আলাদা করে কোনও অনুমতি, ই-পারমিট লাগবে না।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.