joker thulasi

চেন্নাইঃ দেশজুড়ে মারণ ভাইরাসের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড পরিস্থিতি। দিনে দিনে রেকর্ড হারে মানুষজন আক্রান্ত হচ্ছেন। করোনার করালগ্রাসে এসে প্রতিদিন প্রাণ হারাচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ। দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যাও ছাড়িয়েছে ৪ লাখের গণ্ডি। দেশজুড়ে শুধুই মৃত্যুর হাহাকার। শ্মশানে নীরবতার জো নেই। এমন উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে এবার পরলোক গমন করলেন বিখ্যাত তামিল অভিনেতা জোকার থুলাসি (Joker Thulasi)।

চেন্নাইয়ের একটি হাসপাতালে কোভিড -১৯ জটিলতার কারণে প্রবীণ তামিল অভিনেতা থুলাসী মারা গেলেন। এই অভিনেতা রামকি ও সীঠাসহ তামিল ছবি ‘মারুথু পান্ডি’ চলচ্চিত্রে প্রথম অভিনয় করেছিলেন। ছবিটি পরিচালনা করেছিলেন মনোজ কুমার। তিনি তামিল, মালায়ালাম ও কান্নাড়ায় বহু ছবিতে অভিনয় করেছেন। রাদিকা সরথ কুমার এবং মোহন রামন এর মতো তামিল চলচ্চিত্র (Tamil Movie) সম্প্রদায়ের সদস্যরা থুলাসির আকস্মিক মৃত্যুতে সোশ্যাল মিডিয়ায় শোক প্রকাশ করেছেন।

ভানি রানীতে থুলসির সাথে কাজ করা রাদিকা সরথকুমার, এই প্রবীণ অভিনেতার একটি ছবি শেয়ার করেছেন এবং টুইটে লিখেছেন”জোকার থুলাসি নামে একজন খুব বিস্ময়কর ব্যক্তি বহু দশক ধরে থিয়েটার ও সিনেমাতে রয়েছেন। তাঁর মৃত্যু সংবাদ শুনে আমি খুবই দুঃখ পেয়েছি।’ অভিনেতা মোহন রমন লিখেছেন, “আরআইপি -” জোকার “থুলসী ৭০-র দশকের মাঝামাঝি থেকে অভিনয় করছেন। খুব মনোনিবেশিত ব্যক্তি, জ্যোতিষশাস্ত্র ইত্যাদির প্রতি গভীর আগ্রহী। আমি তাঁর আত্মার সাধগতি অর্জনের জন্য প্রার্থনা করি। অনেকগুলি চলচ্চিত্র এবং টিভি সিরিয়াল একসাথে আমরা কাজ করেছি।

এদিকে, থুলাসি ১৯৭৬-এর তামিল ছবি উঙ্গালিল অরুঠি দিয়ে অভিনেতা হিসাবে তাঁর কেরিয়ার শুরু করেছিলেন। তিনি ইলাইনার আনি, অবথার পুরুষান, উদন পিরাপ্পু এবং মান্নাই থোট্টু কুম্বিদনুমের মতো ছবিতে অভিনয় করেছিলেন। জোকার থুলাসি ভানি রানী, কোলাঙ্গল, আজাগু এবং কেলাদি কানমনির মতো টিভি ধারাবাহিক গুলিতেও কাজ করেছেন তিনি। মূলত, জোকার থুলাসিকে হাস্যকর চরিত্র এবং সহায়ক ভূমিকাইয় দেখা যেত।

প্রসঙ্গত,শেষ ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনা (Corona) আক্রান্ত হলেন ৩,২৯,৯৪২ জন। পাশাপাশি করোনা থেকে মুক্ত হয়েছেন ৩,৫৬,০৮২ জন। তবে এক্ষেত্রে বারবার সুস্থতার হার উদ্বেগে রাখছে গোটা দেশকে। গত একদিনে মারণ ভাইরাসের কবলে এসে ৩৮৭৬ জনের মৃত্যু, যা নিঃসন্দেহে আতঙ্কের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.