ওয়াশিংটন: কিমের সঙ্গে আলোচনার প্রস্তুতি চলছে। আগামী তিন থেকে চার সপ্তাহের মধ্যে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে আলোচনা হতে পারে৷ ট্যুইট করে এখবর জানিয়েছে হোয়াইট হাউস৷

শনিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি ট্যুইট করেন৷ যেখানে কোরীয় দেশটির পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ে উল্লেখ করেন৷ তিনি বলেন এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক৷

আরও পড়ুন: মায়ানমার: রোহিঙ্গা মুসলিমদের মতো পালাচ্ছে খ্রিষ্টান শরণার্থীরা

তবে এই বৈঠক কোথায় অনুষ্ঠিত হবে তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। তবে বিশেষ সূত্রে খবর মার্কিন প্রশাসনের সম্ভাব্য বৈঠকে স্থান নির্ধারণের প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে মঙ্গোলিয়া ও সিঙ্গাপুর৷

গত শুক্রবারই উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার শীর্ষ নেতাদের এক ঐতিহাসিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই বৈঠকে কোরীয় উপত্যকার পারমাণবিক অস্ত্র মুক্ত করার বিষয়ে তারা সম্মত হন। এর আগে বহু বছর ধরে উত্তর কোরিয়া বলে আসছে, পিয়ংইয়ং কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র পরিত্যাগ করবে না। কারণ মার্কিন আগ্রাসন থেকে নিজেদের রক্ষায় এটি তাদের প্রয়োজন।

আরও পড়ুন: আকাশসীমা লঙ্ঘন করে চার ঘণ্টা চক্কর কাটল চিনা যুদ্ধবিমান

চলতি বছরের শুরুতে দক্ষিণ কোরিয়ায় অনুষ্ঠিত শীতকালীন অলিম্পিকে অংশ গ্রহণের মাধ্যমে দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় আগ্রহ দেখায় পিয়ংইয়ং। আর তাতে সাড়া দিয়েই অনুষ্ঠিত হয়েছে দুই কোরিয়ার নেতাদের বৈঠক।

এই বৈঠকের আগে পিয়ংইয়ং সফর করে আসেন নবনিযুক্ত মার্কিন বিদেশমন্ত্রী মাইক পম্পেও।
বিদেশমন্ত্রী বলেছেন, পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ অর্জনের লক্ষ্যে কিম জং উন একটি রোডম্যাপ প্রস্তুত করছেন। তিনি বলেন, পিয়ংইয়ং-এ তাদের বৈঠক সফল হয়েছে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।