নয়াদিল্লি: লাদাখ সীমান্তে চিন ও ভারতীয় সেনা মুখোমুখি হওয়ার বিষয় নিয়ে নিষ্পত্তিহীন আলোচনার পর ভারতীয় সেনাবাহিনীর মেজর জেনারেল গ্যালওয়ান উপত্যকায় আবারও চিনা সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসেছেন।

সোমবার রাতে যে এলাকায় ভারত ও চিনের মধ্যে সংঘাত হয়েছিল ওই এলাকাতেই শুরু হয়েছে আলোচনা। উল্লেখ্য, ভারত-চিন সংঘাতে একজন কর্নেলসহ ২০ জন ভারতীয় জওয়ান প্রাণ দিয়েছেন। অন্যদিকে চিনেরও প্রায় ৪৫ জন সেনা মারা গিয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।

সূত্র জানাচ্ছে, এখন অবধি ওই এলাকা থেকে চিনের সেনা সরানোর কোনও লক্ষ্মণই দেখা যাচ্ছে না। এই এলাকা ভারত ও চিনের মাঝের এলএসি-র খুব কাছেই।

১৬২ র যুদ্ধের সময় চিন এই এলাকায় ভারতীয় সেনাপোস্টগুলিকে কব্জা করেছিল। কিন্তু তারপর থেকে ওই এলাকায় চিন ঠল প্রায় দেয়ই নি এবং এই এলাকা সম্পর্কে কোনও জোরও দেখায়নি। বর্তমানে চিনারা পুরো গালওয়ান উপত্যকা নিজেদের বলে দাবি করছে, যার ফলে তাঁদের বাধা দিতে হছে ভারতীয় বাহিনীকে।

বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বুধবার ওয়াং ইয়িকে বলেন, চিনা সেনারা পরিকল্পিত ভাবেই গালওয়ান উপত্যকায় পদক্ষেপ নিয়েছিল, যা সোমবারের সংঘর্ষের জন্য প্রত্যক্ষ ভাবে দায়ী ।

মে-র আগে লাদাখ সীমান্ত যেমন ছিল, ঠিক তেমন অবস্থায় দ্রুত সীমান্তকে ফেরাতে তৎপর রয়েছে ভারত। বুধবার ভারত ও চিনের মেজর জেনারেলদের মধ্যে আলোচনার বিষয় অমীমাংসীতই ছিল।

দেশে এবং বিদেশের একাধিক সংবাদমাধ্যমে টানা দু'দশক ধরে কাজ করেছেন । বাংলাদেশ থেকে মুখোমুখি নবনীতা চৌধুরী I