কলকাতা: ৩১ জানুয়ারি মাঝরাত থেকেই টালা ব্রিজে গাড়ি চলচল পুরোপুরিভাবে বন্ধ করে দেওয়া হবে। ১ ফেব্রুয়ারি থেকেই টালা ব্রিজ ভাঙার কাজ শুরু হবে। আগামী ৩১ জানুয়ারি রাত ১২টার পর টালা ব্রিজে গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।

নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকেই টালা ব্রিজ ভাঙার কাজ শুরু হবে। ট্রাফিক পুলিশ সূত্রে খবর, টালা ব্রিজ ভাঙার সময় বা নতুন ব্রিজ তৈরি না হওয়া পর্যন্ত কোন পথ দিয়ে গাড়িগুলিকে নিয়ে যাওয়া হবে তার পরিকল্পনা আগে থেকেই করা রয়েছে।
রাজ্য সরকার ও রেলের টানাপোড়েনে টালা ব্রিজ ভাঙার কাজ থমকেছিল। প্রথমে ঠিক হয় ৪ জানুয়ারি থেকে টালা ব্রিজ ভাঙার কাজ শুরু হবে। তবে রেলের তরফে সেই সময় কিছু জানানো না হওয়ায় ব্রিজ ভাঙার প্রক্রিয়াটি পিছিয়ে যায়। এরর দফায় দফায় বৈঠকে বসেন রেল ও রাজ্যের কর্তারা। সেই বৈঠকেই ব্রিজ ভাঙার পরবর্তী দিন স্থির হয়।

জানা গিয়েছে, টালা ব্রিজ ভাঙতে খরচ হবে ২৫ কোটি টাকারও বেশি। ব্রিজ ভাঙতে রাজ্যের কোষাগার থেকে ৪ কোটি টাকার কাছাকাছি খরচ হতে পারে। একইভাবে ব্রিজ ভাঙতে রেলের ২২ কোটি টাকা খরচ হতে পারে। চিৎপুর লক গেটের কাছে পঞ্চানন মুখোপাধ্যায় রোড ও কাশীপুর রোডের মধ্যে যোগাযোগের জন্য লেভেল ক্রসিং তৈরি হবে। লেভেল ক্রসিং তৈরির জন্য রাজ্যকে রেল প্রয়োজনীয় টাকাও দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। একমাসের মধ্যেই লেভেল ক্রসিং তৈরি হয়ে যাবে বলে আশাবাদী বিশেষজ্ঞরা।

টালা ব্রিজে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ হতেই উত্তর কলকাতার একটি বড় অংশে যানজট তৈরি হয়। প্রায় প্রতিনিদনই উত্তর কলকাতার বিভিন্ন অংশে যানজট তৈরি হয়। তবে ট্রাফিক পুলিশের তৎপরতায় তা কখনই চরম আকার নেয় না। এতদিন টালা ব্রিজ দিয়ে ছোট গাড়িগুলি যাতায়াত করত। বড়া গাড়ি যেত অন্য পথে। তবে এবার টালা ব্রিজ ভাঙা শুরু হলে সেই ছোট গাড়িগুলিও অন্য পথ ধরেই যাবে। স্বাভাবিক ভাবেই উত্তর কলকাতার বাকি রাস্তাগুলিতে গাড়ির চাপ আরও বাড়বে।