আমরা মেয়েরা রূপচর্চা করতে খুব ভালোবসি। কিন্তু মাঝে মাঝে ভুলে যাই যে পায়ের যত্ন না নিলেও দেখতে বাজে লাগে। সৌন্দর্য চর্চা তখনই পুরোপুরি সম্ভব যখন দেহের অন্যান্য অংশের যত্নের পাশাপাশি পায়ের যত্নও পুরোপুরি নেওয়া সম্ভব হবে।

এটি একটি উন্মুক্ত অংশ। তাই অনেকের নজরেই পায়ের সৌন্দর্য আটকে থাকে। পা দুটিকে নজরকাড়া সুন্দর করে তোলা সম্ভব এই কয়েকটি টিপসে। পড়ুন ও এখন থেকেই মেনে চলুন।

১. সপ্তাহে অন্তত ৩ দিন গরম জলে সামান্য নুন এবং শ্যাম্পু দিয়ে ২০ মিনিট পা ভিজিয়ে রেখে দিন। এই নিয়ম পালন করলে পায়ের ময়লা, ফাঙ্গাস, ধুলোবালি ও ব্যাকটেরিয়া সহজেই পা থেকে বেরিয়ে যাবে। অন্যদিকে, পায়ের ত্বক নরম ও সুন্দর থাকবে, সাথে পায়ের নখও ভালো থাকবে।

২. সবসময় হিলজুতো পড়ার অভ্যাস করবেন না। এতে পায়ের অনেক ক্ষতি হয় যা অনেকেই জানি না। আবার সবসময় পাতলা সোলের জুতোও পরবেন না। পায়ের ভালো চাইলে ১ বা ১.৫ ইঞ্চি হিল জুতো পরার অভ্যাস করতে পারেন।

আরো পোস্ট- সপ্তাহের শেষদিনে কী বলছে কার ভাগ্য

৩. পায়ের নখ বেশি বড় আকারের রাখলে এতে ময়লা বেশি জমে যায়। তাই পায়ের নখ ছোট ছোট করে কেটে রাখাই ভালো। কারণ নখে ময়লা জমে গিয়ে পায়ে ফাঙ্গাসের আক্রমণ দেখা দিতে পারে। এছাড়া নখে নেইলপলিশ বেশিদিন রাখলেও নখে হলদেটে ভাব দেখা দিতে পারে। ফলে উজ্জ্বলতা নষ্ট হয়ে যায়।

৪. রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে একটি গামলায় কুসুম গরম জল নিয়ে তাতে অল্প কর্ণফ্লাওয়ার মিশিয়ে নিবেন। সেই হালকা গরম জলে ৫-১০ মিনিট পা ভিজিয়ে রেখে দেবেন। এরপর পা মুছে ক্রিম মেখে শুয়ে পড়বেন।

৫. একটি বাটিতে ১/২ কাপ টক দইয়ের সাথে ১/২ চা চামচ ভিনেগার মিশিয়ে একটি মসৃণ মিশ্রণ তৈরি করে নিন। এরপর মিশ্রণটি দিয়ে পুরো পা ম্যাসেজ করবেন কিছুক্ষণ। ৫ মিনিট পর জল দিয়ে ধুয়ে ফেলবেন। নজরকারা ত্বকের পরিবর্তন নিজের চোখেই দেখে নিতে পাবেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.