করোনার (Corona) ছোবল থাকতে বাঁচতে আমাদের নিত্যসঙ্গী ফেস মাস্ক। দূরত্ব বিধি, মাস্কের ব্যবহার মারণ ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অন্যতম উপকরন। মাস্ক (Mask) ছাড়া বাড়ির বাইরে তো দূর কি বাত, বিশেষজ্ঞ মহল কিছু কিছু ক্ষেত্রে বাড়ির মধ্যেও মাস্ক পরার কথা জানিয়েছেন। মাস্ক পরে অস্বস্তির কথা তো অনেকবারই সামনে এসেছে, কারও শ্বাস নিতে সমস্যা, বা কারও নাক জ্বালা, চুলকানি তো লেগেই আছে। তদুপরি মাস্ক ছাড়া যে কোনও উপায় নেই, তাও সবাই আন্দাজ করতে পারছে, তাই মাস্ককে বানিয়ে ফেলছে নিত্যসঙ্গী। আজ মাস্ক পরে এক ব্যক্তির কি হাল হল, সেই ভিডিও (Viral Video) নিয়েই কথা বলব।

সমুদ্র সৈকতে বা কোনও মনোরম জায়গায় সান বাথ নিতে আমরা প্রাশয়ই অনেককে দেখি, তা ছবিতে হোক বা প্রকাশ্যে, এই চলটি সাধারণত বিদেশেই বেশি দেখা যায়, স্বল্প পোশাকে সমুদ্র পাড়ে দীর্ঘ সময় শুয়ে থেকে এই সানবাথ নেয় অনেকে। তবে করোনা অতিমারিতে (Corona Pandemic) বাইরে বেরিয়ে স্বল্প পোশাকে সানবাথ, তাও মাস্ক ছাড়াই ! অনেকেই তাতে অভ্যস্ত হয়ে উঠতে পারেনি। তাই অন্যসময়ের মতো সানবাথ (Sunbath Video) নেওয়ার সময়ও অনেকে পরে থাকছেন মাস্ক। তা জেনে বুঝে হোক বা বা অজান্তে। সে যাইহোক, তবে মাস্ক পরে সানবাথ (Sunbath Video)) নেওয়ার পরে যে হাল হয়, তার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত উঠে এল সোশ্যাল মিডিয়ার পর্দায়।

সম্প্রতি একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ঝড়ের গতিতে ভাইরাল (Viral Video) হচ্ছে। যাতে দেখা যাচ্ছে এক বিদেশি ব্যক্তিতে, যার পুরো মুখটি লাল, তবে মাস্ক পরার জায়গাটা একদমই সাদা, এককথায় মুখে মাস্কের ন্যায় ছাপ। ওই ব্যক্তি টুইটারে একটি ভিডিও শেয়ার করে বললেন, ‘আমি বাগানে সানবাথ নেওয়ার সময় আমার মাস্ক খুলে রাখতে ভুলে যায়, আর দেখুন আমার কী হাল হল! তারপরই তিনি মজার ছলে বললেন, এটা ঠিক হয়নি। সি ভিডিও (Sunbath Video) টুঁইটারেও বিদ্যুৎ বেগে শেয়ার হয়। কমেন্ট এবং রিটুইটে ভরে যায় ভিডিওটি। সবাই ভিডিওটাকে হাস্যকর (Hilarious Video) বলে বেজায় মজে আছেন। অনেকেই তো এই ভিডিও (Viral Video) রিটুইট করে লেখেন, ‘জনস্বার্থে প্রচারিত’।

দেখুন ভিডিও—

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.