লখনউ: গরু নিয়ে উত্তরপ্রদেশে তরজা অব্যাহত৷ বারাবাঙ্কির এক বিজেপি নেতা রঞ্জিত শ্রীবাস্তব গরুর ধর্মও নির্ধারণ করে দিয়েছেন৷ তিনি জানিয়েছেন, গরু মুসলিম নয়, হিন্দু ধর্মের৷ তাই এর শেষকৃত্য হিন্দু রীতি অনুযায়ীই হওয়া উচিত৷

টাইমস নাও নিউজ ডট কম সংবাদ মাধ্যমের খবর থেকে আরও জানা যাচ্ছে, গরু নিয়ে বক্তব্য পেশ করতে গিয়ে ওই নেতা বলেন, হিন্দু রীতিনীতি এবং বৈদিক রীতি অনুযায়ী যেভাবে আমরা আমাদের মা-এর শেষকৃত্য করি, শ্মশানে নিয়ে গিয়ে, দাহ করি, সেভাবেই গরুর শেষকৃত্য হওয়া উচিত৷ এই ব্যবস্থা প্রচলিত না হলেও, এর সূচণা বারাবাঙ্কি থেকে করা হবে৷

এই বিজেপি নেতা আরও বলেন, আমরা বোর্ডে সভাসদদের মাধ্যমে এই প্রস্তাব রাখব যেখানে গরুদের জন্য পৃথক শ্মশান ঘাটের দাবি জানানো হবে৷ তবে এই পৃথক শ্মশানঘাট আবশ্যক নয়৷ কারণ আমরা মায়েদের যখন পৃথক শ্মশানঘাটে নিয়ে যায় না তখন গরুদেরও তার প্রয়োজন নেই৷ কিন্তু সংখ্যা বেড়ে গেলে এর প্রয়োজন হবে৷

রঞ্জিতের মতে, মুসলিমদের বাড়িতে গরু থাকার অর্থ লাভ জিহাদ৷ তিনি বলেন, সরকারের কাছে আবেদন জানাবো এবং সেই সঙ্গে হিন্দুদের কাছেও আবেদন জানাবো যাতে যে সব মুসলিমদের বাড়িতে গরু আছে সেই সব গরু যেন হিন্দুদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়৷ কারণ আমরা আমাদের ভাই-বোনদের মুসলিমদের বাড়িতে যাওয়াকে যদি লাভ-জিহাদ বলি তাহলে গো-মাতা মুসলিমদের বাড়িতে থাকলে তা কী লাভ-জিহাদ নয়? এটাই লাভ-জিহাদ৷ তাই গো-মাতাকে মুসলিমদের বাড়ি থেকে ফিরিয়ে আনতে হবে৷ এদের মাতা হচ্ছে ছাগল তাই এদের ছাগল লালন-পালন করা উচিত৷

এরপরে তিনি আরও বলেন, প্রথমে মক্কাতেও মূর্তি পুজো হত৷ মহম্মদ সাহেব প্রথমে হিন্দু ছিলেন, পরে তিনি মুসলমান হন৷ নিজের পরিবারে নিজের আত্মীয়কে প্রথমে মুসলিম করেন৷ তাই হিন্দু-মুসলিমের ভেদাভেদ সরিয়ে মুসলমানদের ফের হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করে নেওয়া উচিত৷