ঢাকা: দীর্ঘদিন ধরেই চলছিল জল্পনাল অবশেষে চার হাত এক হয়েছে সৃজিত ও মিথিলার। বাংলাদেশের এই অভিনেত্রীর সঙ্গে বেশ কয়েকমাস ধরেই সৃজিতকে দেখা যাচ্ছিল। গত ৬ ডিসেম্বর অফিশিয়ালি বিয়ে করেছেন পরিচালক ও অভিনেত্রী। কিন্তু মিথিলার অতীত নিয়ে চর্চা পিছু ছাড়ছে না। বাংলাদেশের সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে চলছে সেই আলোচনা।

এদিকে, মিথিলার সঙ্গে যেদিন সৃজিতের বিয়ে হল, সেদিন রাতেই ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন মিথিলার প্রাক্তন স্বামী তথা বাংলাদেশের গায়ক ও আভিনেতা তাহসান। আর তা নিয়ে শুরু হয় জল্পনা।

৬ ডিসেম্বর তাহসানের ‘মোমোরিস কল্পতরুর গল্প’ ইউটিউবে মুক্তি পায়। সেই ভিডিও পোস্ট করে তাহসান ওইদিন রাতে লেখেন, ‘কাজ দিয়েই বেঁচে থাকতে চাই।’ আর এই পোস্ট নিয়ে চর্চা শুরু হয় কমেন্ট বক্সে। ভক্তদের দাবি, সৃজিত-মিথিলার বিয়ের ছবিগুলি সামনে আসতেই এমন পোস্ট করেছেন তাহসান। মিথিলার বিয়ের ছবি দেখে কষ্ট পেয়েই নাকি এমন কথা লিখেছেন তিনি।

১১ বছরের দাম্পত ছিল মিথিলা ও তাহসানের। তাঁদের কন্যাসন্তানের নাম আইরা। তাকেও বিয়ের অনুষ্ঠানে মিথিলার সঙ্গে দেখা গিয়েছে।

বিয়ে করেই জেনিভা উড়ে গিয়েছেন নবদম্পতি। সেখানে পিএইচডি-র রেজিস্ট্রেশনের জন্যই গিয়েছেন মিথিলা। সঙ্গে গিয়েছেন সৃজিত। সেখান থেকে একটি ছবিও পোস্ট করেছেন সৃজিত মুখোপাধ্যায়। লিখেছেন, ‘যা সিমরান, কর লে আপনি পিএইচডি।’

বহুদিন ধরেই সৃজিতের সঙ্গে মিথিলার প্রেমের কথা শোনা যাচ্ছিল। বরাবরই তারা ‘জাস্ট ফ্রেন্ড’ বলে এটি অস্বীকার করেছেন। কিন্তু কলকাতা বা বাংলাদেশ সাম্প্রতিক সময়ে তাদের একসঙ্গে বহুবার পাওয়া গিয়েছে। এমনকি পারিবারিক অনুষ্ঠানেও তারা নিয়মিত উপস্থিত থেকেছেন।

গত সেপ্টেম্বর মাসে একটি ঘরোয়া পার্টিতে তাঁদের একসঙ্গে প্রথম দেখা যায়। এরপর ২৩ সেপ্টেম্বর পরিচালকের জন্মদিনের বিশেষ ছবিতেও দেখা যায় মিথিলাকে। সর্বশেষ তাদের দুজনকে ঢাকার আর্মি স্টেডিয়ামে সদ্য সমাপ্ত ফোকফেস্ট দেখা যায়। এরপরই বিয়ে নিয়ে শুরু হয় গুঞ্জন।