কলকাতা: করোনা আবাহে এই বছর কাটছাঁট করা হয়েছে প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠান৷ প্রতি বছর যেখানে দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা ধরে অনুষ্ঠান হয়, সেখানে এই বছর প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠান শেষ হয়ে গিয়েছে আধ ঘণ্টার মধ্যে৷ সংক্ষিপ্তভাবেই সারা হয় কুচকাওয়াজের অনুষ্ঠান৷ এদিন সেনাবাহিনী, কলকাতা পুলিশ ও রাজ্য সরকারের তরফে সবমিলিয়ে ২১ টি ট্যাবলো প্রদর্শিত হয়৷ উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এর মধ্যে ছিল দুয়ারে সরকার ও পাড়ায় সমাধানের ট্যাবলো৷

আজ মাত্র ২০০ জন অতিথিকে নিয়ে সারা হয় প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠান৷ দর্শক সমাগমের উপেরও ছিল বিধিনিষেধ৷ বাইরে থেকে কোনও দর্শককে প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে আসার অনুমতি দেওয়া হয়নি৷ উপস্থিত ছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়৷ সেনাবাহিনী ও কলকাতা পুলিশ তাঁকে সম্মান জানায়৷ অনুষ্ঠান শেষে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যপাল৷ রীতি মনেই এদিন রাজভবনে চা-চক্রের আয়োজন করা হয়৷ আমন্ত্রণ জানানো হয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও৷ তিনি উপস্থিত হন বলেই জানা গিয়েছে৷

প্রসঙ্গত, একুশের ভোটকে পাখির চোখ করে প্রথমে ‌দুয়ারে সরকার’ ও পরে বার ‘পাড়ায় পাড়ায় সমাধান’ কর্মসূচি শুরু করে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। দুয়ারে সরকারের মাধ্যমে সরকারের জনপ্রিয় প্রকল্পগুলিতে নাম অন্তর্ভুক্তি করা হচ্ছে৷ অন্যদিকে ‘হাসপাতাল আছে অ্যাম্বুল্যান্স নেই, পাইপলাইন পৌঁছেছে কিন্তু কোনও কারণে জল আসছে না বা স্কুলে আর একটি শ্রেণিকক্ষের প্রয়োজন— এমন ছোটোখাটো সমস্যাগুলির সমাধান করা হচ্ছে এই কর্মসূচিতে।

এদিকে ভোটের আগে সময় খুবই কম৷ এই অবস্থায় ‘পাড়ায় সমাধান’ প্রকল্পে জমা পড়া অধিকাংশ কাজের বরাত যত তাড়াতাড়ি সম্ভব দিয়ে দিতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে নবান্ন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।