কলকাতাঃ  ট্যাব-মোবাইল কিনতে টাকা রাজ্য সরকারের। আজ বৃহস্পতিবার থেকে এই টাকা দেওয়ার কাজ শুরু হল। প্রথমে ট্যাব কিংবা মোবাইল দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার। কিন্তু একসঙ্গে এতগুলি ট্যাব কিংবা মোবাইল ফোন না পাওয়াতে টাকা দিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। আর সেই টাকা আজ থেকে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

প্রাথমিকভাবে ভাবে প্রায় ৯ লক্ষ পড়ুয়াকে এই টাকা দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে আজ থেকে। উত্তর থেকে দক্ষিণ সবাইকে এই টাকা দেওয়া হবে। ১০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। প্রথমে মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিকের পড়ুয়ারা পাবেন বলে জানা যাচ্ছে। পড়ুয়াদের অ্যাকাউন্টে এই টাকা সরাসরি পৌঁছে যাবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আজ নবান্নে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে তিনি জানান, ১০ হাজার টাকা করে দেওয়া হচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার থেকেই পড়ুয়াদের অ্যাকাউন্টে টাকা পড়বে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে তা পড়ে যাবে। আর তা পড়ে গেলেই পড়ুয়ারা সেই টাকায় যার যেটা প্রয়োজন সেটা কিনতে পারবে বলে মন্তব্য মুখ্যমন্ত্রীর।

একই সঙ্গে তিনি আরও জানান, আজকের দিনে অনলাইনে পড়াশুনা চলছে। সেখানে দাঁড়িয়ে স্মার্টফোন ছাড়া ভাবাই যায় না। এটি পড়ুয়াদের অনলাইনে আরও পড়াশুনা করতে সাহায্য করবে বলেই মনে করছেন মুখ্যমন্ত্রী। একই সঙ্গে তিনি আরও জানান, আগামীদিনে আরও পড়ুয়াকে দেওয়া হবে ট্যাব কিংবা স্মার্টফোন। আজ যারা পাননি সেই সমস্ত পড়ুয়াকে সংশ্লিষ্ট স্কুলে আবেদন জানাতে হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখান থেকে আবেদন করা হলে যার স্মার্টফোন কিংবা ট্যাব প্রয়োজন তাঁকে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

অন্যদিকে, সবুথ সাথী প্রকল্পে আরও সাইকেল দেওয়া হবে বলে এদিন ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নবান্নে এদিন তিনি বলেন, আরও ২০ লক্ষ সাইকেল দেওয়া হবে। এবার তা দেওয়া হবে নবম শ্রেণির পড়ুয়াদের জন্যে। একই সঙ্গে স্কুলের জুতো, জামা দেওয়ার বিষয়টিও আরও একবার সবাইকে জানিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী।

এছাড়া এদিন একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পের ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।