মুম্বই: কিছুদিন আগেই আয়কর দপ্তরের তল্লাশি চালায় তাপসী পান্নু ও অনুরাগ কাশ্যপের বাড়িতে। অনুরাগ কাশ্যপের অফিসও তল্লাশি চালানো হয়। সেই তল্লাশি অভিযান নিয়ে এবার মুখ খুললেন তাপসী।

সম্প্রতি তিনি এই নিয়ে টুইট করেছেন। বলছেন, তিনটি জিনিসের সন্ধান করেছেন আয়কর দপ্তরের অফিসাররা। “প্রথমটি হল, প্যারিসের সেই “তথাকথিত” বাংলোর চাবি, যার মালকিন নাকি আমি। কারণ গ্রীষ্মের ছুটি আসছে। দ্বিতীয়টি, “তথাকথিত” ৫ কোটি টাকার রসিদ যেটি আমি প্রত্যাখ্যান করেছি। ওটা আমি ভবিষ্যতের জন্য ফ্রেম করে রেখে দেব। আর তিন নম্বর কারণটি হল, শ্রদ্ধেয় অর্থমন্ত্রীর দাবী অনুযায়ী ২০১৩ সালের আমার বাড়িতে তল্লাশি হয়েছিল।” এরপরই তাপসী লিখেছেন, “আর সস্তা নই।”

কার্যত তিনটি টুইট করে কেন্দ্রকে ব্যঙ্গাত্মকভাবে বিঁধেছেন তাপসী। তাঁর ও অনুরাগ কাশ্যপের বাড়ি ও অফিসে তল্লাশির পর আয়কর দপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অনুরাগ কাশ্যপের ফ্যান্টম ফিল্মসের আর্থিক দিকে পরিচালক ও কোম্পানির শেয়ার হেল্ডারদের মধ্যে ৩৫০ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে যার কোনও হিসাব নেই। পাশাপাশি এও জানানো হয় তাপসী পান্নুর কাছ থেকে ৫ কোটি টাকা উদ্ধার হয় যার কোনও হিসাব নেই।
রিচালক অনুরাগ কাশ্যপ ও অভিনেত্রী তাপসী পান্নুর বাড়িতে তল্লাশি চালাল আয়কর দপ্তর। তাদের বিরুদ্ধে কর ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। তার পরিপ্রেক্ষিতেই বলিউডের এই দুই সেলেব্রিটির বাড়িতে তল্লাশি চালান ইনকাম ট্যাক্সের অফিসাররা। মুম্বই ও পুনের প্রায় ৩০টি জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়। এর মধ্যে রয়েছে ফ্য়ান্টম ফিল্মসের অফিস। এই প্রযোজনা সংস্থা অনুরাগ কাশ্যপ, বিকাশ বহেল ও মধু মন্টেনা চালাতেন। কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর BJP-র একটি সম্মেলনে বলেছেন, “আয়কর দপ্তরের কাছে যে তথ্য ছিল তার উপর ভিত্তি করে তদন্ত চালায় তারা। পরে মামলাটি আদালতে ওঠে।”

তবে অনুরাগ ও তাপসীর বাড়িতে আয়কর দপ্তরের হানার পিছনে অনেকেই রাজনৈতিক গন্ধ পাচ্ছেন। কারণ এই দুজন প্রয়শই সরকারের একাধিক নিয়ম নীতির সমালোচনা করেন। কিছুদিন আগে কেন্দ্র কৃষকদের জন্য যে তিনটি কৃষি আইন পাশ করেছিল, তার বিরুদ্ধেও সরব হয়েছিলেন তাঁরা। সম্প্রতি তাপসী পান্নু রিহানার কৃষকদের সমর্থন করা পোস্ট নিয়ে সরকারকে যে সব সেলিব্রিটি সমর্থন করেছিলেন তাদের সমালোচনা করেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।