হাওড়া : খদ্দেরকে সিদ্ধ ডিম দিতে গিয়ে বিক্রেতার চক্ষু চড়কগাছ! সিদ্ধ ডিমের পরিবর্তে বেরল সিন্থেটিক ডিম। ঘটনাটি ঘটেছে গ্রামীণ হাওড়ার পাঁচলা গঙ্গাধরপুর লাইব্রেরী সংলগ্ন একটি তেলেভাজার দোকানে। সূত্রের খবর, প্রতিদিনের মতোই মঙ্গলবার এক খদ্দের টিফিন সেরে সিদ্ধ ডিমের অর্ডার দেন দোকানদারকে।

সিদ্ধ ডিম লম্বালম্বি কাটার পর দোকানদার লক্ষ্য করেন উধাও কুসুম। বিক্রেতা জানান, তার চল্লিশ বছরের ব্যবসায়ী জীবনে এমন ঘটনা কখনো ঘটেনি। এই ঘটনায় খদ্দেরও হতবাক। উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে প্লাস্টিক বা সিনথেটিক ডিম খবরের শিরোনামে এসেছিল। এই ডিম কৃত্তিম নাকি সাধারণ, ধন্দে ক্রেতা-বিক্রেতা-সাধারণ মানুষ। সন্ধ্যা থেকেই অস্বাভাবিক ডিম দেখতে দোকানে ভিড় জমান বহু উৎসুক মানুষ।

এর আগে মিলেছে নুনও। ডিম, আটা, বাঁধাকপি— সবেতেই পাওয়া গিয়েছে প্লাস্টিকের অস্তিত্ব। বাংলার বাজারেই পাওয়া গিয়েছে এমন প্লাস্টিকের খাদ্যবস্তুগুলি। বাদ গেল না নিত্যপ্রয়োজনীয় নুনও! নুনেও মিলছে প্লাস্টিক। বেশ কিছু ব্র্যান্ডেড কোম্পানি, টেবল-সল্ট তৈরির সময় তাতে প্লাস্টিকের অংশ মেশায়।

মাত্র ৫ মিলিমিটার ব্যাসার্ধের এই টুকরোগুলি তৈরি হয় শিল্প বর্জ্য থেকে, যা সমুদ্রের জলে পাওয়া যায়। গবেষকরা নুনের যে নমুনার উপর পরীক্ষা চালান, তাতে ৬২৬টি ক্ষুদ্র মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গিয়েছে এবং তার মধ্যে ৬৩ শতাংশ প্লাস্টিকের টুকরো। বাকি ৩৭ শতাংশ প্লাস্টিকের ফাইবার।গবেষকদের মতে, এক জন মানুষ প্রতি দিনে যা নুন খায় তাতে বছরে তার শরীরে আনুমানিক ০.১১৭ মিলিগ্রাম মাইক্রোপ্লাস্টিক প্রবেশ করে।নুন থেকে এই প্লাস্টিক কণার প্রায় ৮৫ শতাংশই বাদ দেওয়া যায় বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। নুন ব্যবহারের আগে ছেঁকে নিলে বাদ দেওয়া যায় প্লাস্টিক কণাগুলি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।