স্টাফ রিপোর্টার , হাওড়া : গ্রামীণ হাওড়ার শ্যামপুর-২ ব্লকের তাজনগর গ্রামের বিদিশা ইসলাম। একদিকে সামাজিক প্রতিবন্ধকতা ও অন্যদিকে আর্থিক প্রতিকূলতার বেড়াজালকে অতিক্রম করে এবার সর্বভারতীয় নিট পরীক্ষায় সফল হয়েছে নাওদা নয়নচন্দ্র বিদ্যাপীঠের এই প্রাক্তনী। ওঁর সাফল্যে পরিবার ও স্থানীয় এলাকায় খুশির জোয়ার। কিন্তু, খুশির মাঝেই বিদিশা ও তার পরিবারের সদস্যদের কপালে চিন্তার ভাঁজ। তার এই স্বপ্নপূরণের পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে অর্থ। পাশে দাঁড়িয়েছে স্বপ্ন দেখার উজান গাং

দক্ষ নিউরোলজিস্ট হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করাই এখন বিদিশার এক ও অভিন্ন লক্ষ্য। বিদিশার কথায়, ছোটোথেকেই ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন ছিল। ২০১৮ সালে উচ্চমাধ্যমিক দেওয়ার দু’বছর নিরলসভাবে নিটের জন্য আল আমিন মিশনে প্রস্তুতি নিয়েছি। তারপর এবার সাফল্য মিলেছে। সেই সাফল্যে বাধা অর্থনৈতিক অবস্থা। বিদিশার বাবা মহম্মদ মহসীন কোনোরকমে সেলাই মেশিন সারিয়ে তিন মেয়ে ও স্ত্রী’র ভরপেট আহার জোটান। কিন্তু, মেয়ের ডাক্তারী পড়ার বিপুল খরচ কীভাবে চালাবেন তা নিয়েই মহসীনবাবুর কপালে চিন্তার ভাঁজ। এই পরিস্থিতিতে বিদিশা ইসলামের পাশে দাঁড়াল আমতার স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘স্বপ্ন দেখার উজান গাঙ’। সংগঠনটির পক্ষ থেকে রবিবার বিদিশার তাজনগরের বাড়িতে পাঁচ প্রতিনিধি যান।তাঁরা এই ভাবী চিকিৎসকের সাথে দেখা করে তার হাতে আর্থিক সাহায্য তুলে দেন।

সংগঠনের কর্তা শিক্ষক রাকেশ মন্ডল বলেন, “আমাদের সংস্থা গ্রামীণ হাওড়ার অভাবী-মেধাবীদের নিয়ে কাজ করে। বিদিশার মতো পড়ুয়ারা আমাদের গর্ব। আগামীর পথদ্রষ্টা। তাই তাঁর আর্থিক প্রতিকূলতার কথা জানতে পেরে আমাদের তরফে সাধ্যমতো আর্থিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া হল।” বিদিশা চায়, ডাক্তার হয়ে গ্রামের মানুষের দ্বারে পৌঁছে যেতে। আর সেই লক্ষ্যেই অবিচল শ্যামপুরের প্রত্যন্ত গ্রামের এই লড়াকু কন্যা।

সম্প্রতি ‘আমাদের ছুটি ছুটি’র আয়োজন করে আমতার স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘স্বপ্ন দেখার উজান গাঙ’। উদং তরুণ সংঘের মাঠে একটি ক্ষুদ্র অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমতার এই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের পক্ষ থেকে উদং,ফতেপুর,পূর্ণাল,ভূঁয়েড়া সহ আমতা-১ ও বাগনান-১ ব্লকের ৭-৮ টি গ্রামের ৫০ জন শিশু,কিশোর-কিশোরীর হাতে তুলে দেওয়া হল নতুন জামা ও শিক্ষাসামগ্রী। সংস্থার কর্তা পৃথ্বীশরাজ কুন্তী জানিয়েছিলেন, ‘উৎসবের আনন্দকে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের সাথে প্রতিবছরই আমরা ভাগ করে নিই।এবারও আমরা বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছি।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।