বের্ন: রক্ষণশীল মানুষের নজরে ডেটিং অ্যাপের প্রেম নেতাতই ঠুনকো৷ এই প্রেম ক্ষণস্থায়ী৷ কিন্তু বন্ধমূল এই ধরনার মূলে সজোরে কুঠারাঘাত করে সমীক্ষা বলছে, ডেটিং অ্যাপে খুঁজে পাওয়া প্রেম হয় অটুট৷ মনের মানুষ খুঁজে পাওয়ার এই নয়া পথ নতুন করে যুব সমাজকে উদ্বুদ্ধ করেছে৷

সাম্প্রতিক বছরগুলিতে সুইৎজারল্যান্ড এবং অন্যান্য দেশে মোবাইল অ্যাপলিকেশনগুলি দু’টি মানুষের মিলনের ক্ষেত্রে একচা বিপ্লব ঘটিয়েছে৷ সম্প্রতি এক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, অ্যাপের মাধ্যমে খুঁজে পাওয়া প্রেমিক প্রেমিকার সম্পর্ক নন-ডিজিটাল পরিবেশে মিলিত হওয়া দম্পতিদের তুলনায় অনেক বেশি দৃঢ় হয়৷

প্রচলিত ডেটিং সাইটগুলির মতো এই স্মার্ট ফোন অ্যাপগুলিতে ইউজারকে বিস্তারিত প্রোফাইল দিতে হয় না৷ বরং প্রোফাইলের ব্যক্তির বিভিন্ন ছবির রেটিং ও সোয়াইপ রিভিউ ব্যবস্থার মধ্যে দিয়েই সহজভাবে সঙ্গী খুঁজে নেওয়ার পথ দেখিয়ে দেয়।

তবে এই অ্যাপের ব্যবহার অত্যন্ত সহজ হওয়ায় অনেকের মনেই ভীতির সঞ্চার হচ্ছে৷ সহজ একটা অ্যাপের মাধ্যমে গড়ে ওঠা সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে৷ ফলে একদিন এই ডেটিং অ্যাপগুলি নিয়ে মানুষের মধ্যে যেমন উৎসাহ বেড়েছে, তেমনই এর মাধ্যমে গড়ে ওঠা সম্পর্কের ভিত্তি নিয়েও সন্দেহ দানা বেঁধেছে৷

যদিও এই দাবির ভিত্তিতে কোনও বৈজ্ঞানিক যুক্তি নেই৷ সুইৎজারল্যান্ডের জেনেভা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণা এই অ্যাপের মাধ্যমে মিলিত হওয়া দম্পতিদের সম্পর্কে প্রচুর তথ্য দেওয়া হয়েছে৷ দেখা গিয়েছে ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে যাঁরা পার্টনারকে খুঁজে পেয়েছিলেন অফলাইনে খুঁজে পাওয়া পার্টনারদের তুলনায় তাঁদের বন্ডিং অনেক ভালো৷

খুব সহজেই অ্যাপের মাধ্যমে একটা বন্ধুত্বপূর্ণ ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার সম্পর্ক তৈরি হয়ে যায়। আর তাই তাঁরা যতটা সহজে মনের কথা শেয়ার করতে পারেন, অফলাইন কাপলরা তা পারেন না। ঘর, সংসার তো বটেই সন্তান নিয়েও আলোচনাও সেরে নেন ডেটিং অ্যাপের কাপলরা।

তাই বলা যেতেই পারে এই অ্যাপ এক্কেবারে পারফেক্ট! পোস্ট কোভিড দুনিয়ায় মন পাখি ডেটিং অ্যাপেই দিব্য ডানা মেলছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।