কলকাতা: অভিষেক আইএসএল মরশুমে খারাপ ফলাফলের পর একাংশ কোচ রবি ফাওলারকে কোচ রাখার পক্ষপাতী ছিলেন না। কিন্তু চুক্তি মোতাবেক আরও এক মরশুম ইস্টবেঙ্গলকে কোচিং করানোর বিষয়টি নিশ্চিত ছিল রবি ফাওলারের। ম্যানেজমেন্টও চেয়েছিল আরেকটা সুযোগ দিতে। ইনভেস্টরের সঙ্গে ক্লাবকর্তাদের চুক্তিজটের কারণে আগামী মরশুমে ভালো দল গড়া সম্ভব হবে কীনা, সেটা পরের প্রশ্ন। এবার কোচ হিসেবে রবি ফাওলারকে আসন্ন মরশুমে পাওয়া নিয়ে বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন দেখা দিল লাল-হলুদে।

কারণ, ‘দ্য সান’ পত্রিকায় প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী সুইন্ডন টাউন ফুটবল ক্লাব কোচ হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে লিভারপুল কিংবদন্তিকে। ইংল্যান্ডের ক্লাব ফুটবলে সম্প্রতি চতুর্থ ডিভিশনে নেমে গিয়েছে ক্লাবটি। মাত্র পাঁচ মাস দায়িত্ব সামলে কোচের পদ থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন জন শেরিড্যান। কেবল সাত জন ফুটবলারের সঙ্গে আগামী মরশুমের জন্য চুক্তি রয়েছে চতুর্থ ডিভিশনের ক্লাবটির। শেরিড্যান দায়িত্ব ছাড়ার পর শেষ কয়েকটি ম্যাচে দলের দায়িত্ব সামলানো সহকারী কোচ টমি রাইটও ক্লাব ছাড়ছেন।

সবমিলিয়ে মাঠে এবং মাঠের বাইরে আগামী মরশুমের আগে ব্যাপক রদবদল আসতে চলেছে সুইন্ডন টাউন ফুটবল ক্লাবে। আর ক্লাবের সেই পরিবর্তনেরই শরিক হওয়ার প্রস্তাব গিয়েছে ফাওলারের কাছে। এবার প্রশ্ন হচ্ছে ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে চুক্তি ভঙ্গ করে দেশের মাটিতে প্রথম কোচিং করানোর যে সুযোগটা ফাওলার পেয়েছেন, সেটা তিনি গ্রহণ করবেন কীনা। যদিও বিষয়টি এখনও কোনও উল্লেখযোগ্য দিকে বাঁক নেয়নি। ভবিষ্যতেও যে নেবে এমন কোনও সম্ভাবনাও দেখা যাচ্ছে না। কিন্তু ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের কর্তাদের সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের সম্পর্ক যে পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে, তাতে খুব একটা ভরসা রাখতে পারছেন না অনুরাগীরা।

একদা সতীর্থ স্টিভেন জেরার্ডের মতো ইংল্যান্ডেও কোচ হিসেবে নিজের পরিচিতি আদায়ের প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে এই সুযোগ উল্লেখযোগ্য হতে পারে ফাওলারের কাছে। তাই অনেকে মনে করছেন ফাওলার বিষয়টি বিবেচনা করবেন নিশ্চয়। উল্লেখ্য, অস্ট্রেলিয়ার প্রিমিয়র ডিভিশন ক্লাব ব্রিসবেন রোরের কোচ হিসেবে একবছর দায়িত্ব সামলানোর পর গত মরশুমে আইএসএলে পদার্পণ করা ইস্টবেঙ্গলের কোচের পদে আসীন হয়েছিলেন ফাওলার। যদিও ফাওলারের কোচিং’য়ে আইএসএলে আত্মপ্রকাশ সুখের হয়নি লাল-হলুদের। ১১ দলের মধ্যে লিগ টেবিলে নবমস্থানে শেষ করেছিল অ্যান্থনি পিলকিংটন-জ্যাক ম্যাঘোমা সমৃদ্ধ ইস্টবেঙ্গল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.