প্রতীকি ছবি

বেঙ্গালুরু: ২০১৩ সালে তৈরি হওয়া ফুড ডেলিভারি অ্যাপ সুইগি দেশের চাকরি ক্ষেত্রে এক অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা নিতে চলেছে। আগামী ১৮ মাসের মধ্যে তারা ৩ লক্ষ ডেলিভারি এক্সিকিউটিভ নিয়োগ করতে চলেছে। সুইগির সিইও শ্রীহর্ষ মাজেতি জানিয়েছেন,এই নিয়োগের ফলে ভারতীয় সেনাবাহিনী এবং ভারতীয় রেলের পরে তারাই হবে তৃতীয় বড় কোম্পানি যারা এত সংখ্যক কর্মী নিয়োগ করবে।

২০১৮ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত ভারতীয় রেলে ১২.৫ লক্ষ এবং ভারতীয় রেলে ১২ লক্ষ কর্মী রয়েছেন। এছারাও আইটি ইন্ডাস্ট্রির সব থেকে বড় কোম্পানি টিসিএসে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কর্মী রয়েছে ৪.৫ লক্ষ। এই তিনটি কোম্পানিতেই সকল কর্মচারীদের তাদের প্রাপ্য সুবিধাগুলো দেওয়া হয় এছাড়াও সকলেই পূর্ণ সময়ের কর্মী। তবে সুইগি তে কর্মীদের কাজের উপর ভিত্তি করে বেতন দেওয়া হয়ে থাকে।

এই মুহূর্তে সুইগি তে রয়েছে মাসিক ভিত্তিতে ২.১ লক্ষ ডেলিভারি স্টাফ। এছাড়াও রয়েছে ৮০০০ কর্পোরেট কর্মী। যদিও ডেলিভারি কর্মীরা অফিসের পূর্ণ সময়ের কর্মীদের মত প্রভিডেন্ট ফান্ড বা অন্য কোন রকম সুবিধা পান না।

সুইগির সব থেকে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী জোমাটো তে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত ছিল ২.৩ লক্ষ ডেলিভারি এক্সিকিউটিভ। অনলাইন রিটেল প্ল্যাটফর্ম ফ্লিপকার্টে রয়েছে ১ লক্ষ ডেলিভারি কর্মী। যদিও অ্যামাজনে কতজন ডেলিভারি কর্মী রয়েছে তা তারা জানায় নি। যদিও উৎসব উপলক্ষে ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী ফ্লিপকার্ট এবং অ্যামাজনে অতিরিক্ত কর্মীর প্রয়োজন পরে। এছাড়াও ওলা এবং উবেরও ব্লু কলার কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা নেয়।

গত মাসে সরকারের তরফ থেকে এই সকল বেসরকারি ক্ষেত্রের কর্মীদের নিরাপত্তার বিষয়টি নির্দিষ্ট কোম্পানিদের দেখার জন্য প্রস্তাব দেওয়া হয়। বর্তমানে এই ফুড অ্যাপ দেশের ৫০০ শহরে ছড়িয়ে রয়েছে এবং তারা বছরে ৫০০ মিলিয়ন অর্ডার নিয়ে থাকে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।