নয়াদিল্লি: গৃহবন্দি দেশ। লকডাউনের মাঝে বন্ধ সব। অনলাইন ফুড ডেলিভারিতেও করোনা আতঙ্ক ছড়িয়েছে। ফলে ঘরের খাবারই ভরসা। খাবার ডেলিভারি সংস্থা সুইগি এবার অর্থনৈতিক সংকটে। ৫০০ থেকে ৯০০ কর্মীকে ছাঁটাই করতে পারে তারা, এমনই সূত্রের খবর। যে সব কর্মীকে অস্থায়ী, মূলত তাঁদেরই ছাঁটাই করা হবে বলে খবর। এছাড়াও প্রচুর ক্লাউড কিচেন বন্ধ করে দিচ্ছে এই সংস্থা বলে জানা গিয়েছে।

উল্লেখ্য সুইগি বা জোম্যাটোতে এই ক্লাউড কিচেনের রমরমা। এরা মূলত খাবার তৈরি করে অনলাইন ক্রেতাদের জন্য। তারপরে সুইগি বা জোম্যাটোর মাধ্যমে তা পৌঁছে যায় ক্রেতাদের কাছে। কিন্তু কেউই এখন বাইরের খাবার খাচ্ছেন না। ফলে ব্যবসায় মন্দা দেখা দিয়েছে। এই ধরণের কিচেন তাই বন্ধ করে দেওয়া ছাড়া উপায় নেই বলেই মনে করা হচ্ছে।

সুইগি জানিয়েছে পরের মাস অর্থাৎ মে মাস থেকে ছাঁটাইয়ের কাজ শুরু করা হবে। অন্যদিকে, টিয়ার ১ ও টিয়ার ২ মিলিয়ে মোট ১০টি শহরের ক্লাউড কিচেন বন্ধ করে দেওয়া হবে। করোনা ভাইরাসের জেরে লকডাউনের মাঝে ফুড ডেলিভারি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবা। কিন্তু বেশিরভাগ রেস্তোরা ও ক্যাফে বন্ধ থাকায়, সুইগির মত সংস্থাগুলি সমস্যায় পড়েছে।

প্রাথমিক ভাবে ৪০ শতাংশ ছাঁটাই হবে পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে। তারপর বাকিদের ধীরে ধীরে ছাঁটাই করা হবে বলে সূত্রের খবর। তবে সংস্থার বাকি কর্মীদের বেতন কাটা হবে না। তবে বেঙ্গালুরুর এই সংস্থা চলতি বছরে কোনও পদোন্নতি বা বেতন বৃদ্ধির খবর শোনায়নি। এছাড়াও ৩০০টি টিয়ার ৩ ও টিয়ার ৪ মানের শহরে খাবার সরবরাহ করবে না সুইগি। তবে খাবার সরবরাহ না করলেও বিভিন্ন অত্যাবশ্যকীয় পণ্য এবং রোজকার সামগ্রী সরবরাহের কাজ করতে চলেছে সুইগি।

এদিকে, ভারতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২০,৪৭১। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে গিয়েছে ৩,৯৫৯ জন। মৃত্যু হয়েছে ৬৫২ জনের। আপাতত ৩ মে পর্যন্ত জারি আছে লকডাউন। তারপর কী হবে, সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে ২৭ এপ্রিলের পর। ২৭ এপ্রিল মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

যদিও গত সোমবার কেন্দ্র জানিয়েছে, আক্রান্তের সংখ্যা দ্বিগুণ হওয়ার হার ক্রমশ কমছে। জানানো হয়েছে, লকডাউনের আগে আক্রান্তের সংখ্যা দ্বিগুণ হচ্ছিল ৩.৪ দিনে। আর এখনই সেটা হচ্ছে ৭.৫ দিনে। গত সাত দিনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী ৭.৫ শতাংশ কমেছে দ্বিগুণ হওয়ার হার। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে লকডাউনের মেয়াদ না বাড়ানো হলে, আক্রান্তের সংখ্যা ২ লক্ষ ছাড়িয়ে যেতে পারে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।