প্রতীকি ছবি

নয়াদিল্লি: কিছুদিন আগেই মুসলিম ডেলিভারি বয়ের খাবার গ্রহণ না করার অভিযোগ ওঠে ‘জোমাটো’র এক ক্রেতার বিরুদ্ধে। এবার সেই একই ঘটনা সুইগি-তে। ডেলিভারি বয় মুসলিম তাই তাঁর থেকে খাবার নেওয়া যাবে না বলে, অর্ডার ফিরিয়ে দিল হায়দরাবাদের এক হিন্দু ব্যক্তি।

সোমবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে। বুধবার এই শালিবান্দা ধানায় এরকম একটি অভিযোগ দায়ের করেন ওই মুদাসির ওমর নামে ওই ডেলিভারি বয়। পুলিশ জানিয়েছে, ওই আভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যদিও সুইগি-র তরফ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যাবনি।

জানা গিয়েছে, হায়দরাবাদে আলিয়াবাদের বাসিন্দা অজয় কুমার সুইগিতে অর্ডার দেন। তিনি ফলকনুমার এক রেস্তোরাঁ থেকে চিকেন-৬৫ অর্ডার করেছিলেন। ডেলিভারি ইনস্ট্রাকশনে তিনি লিখেছিলেন, ‘‌কম মশালাদার খাবার পাঠান, আর হিন্দু ডেলিভারি বয় পাঠাবেন। তার উপর ভিত্তি করেই সব রেটিং দেওয়া হবে।’‌

যদিও সুইগি ডেলিভারি বয় মহম্মদ মুদাসির সুলেমানকে খাবার নিয়ে অজয়ের কাছেই যেতে বলা হয়। খাবার নিয়ে তিনি গেলে অজয় সেই খাবার নিতে অস্বীকার করেন এবং তাঁকে ফেরত পাঠিয়ে দেন। সুলেমান বলেন, ‘‌ব্যক্তির ধর্ম কী তা নিয়ে কখনও সুইগি মাথা ঘামায় নি। ফলকনুমায় খুব কম সংখ্যকই হিন্দু ডেলিভারি বয় র‌য়েছে।’

ওই ডেলিভারি বয় বলেন, ‘আমার নাম শুনেই রেগে যান গ্রাহক। অর্ডার বাতিল করে দেন তিনি এবং আমার ওপর চেঁচিয়ে বলতে থাকেন যে সুইগি তাঁর পছন্দকে সম্মান জানায়নি। ওই গ্রাহক এরপর কাস্টামার কেয়ারে ফোন করে এক্সিকিউটিভের সঙ্গে উত্তপ্ত কথোপকথন শুরু করেন এবং অ্যাপ মুছে দেবেন বলে হুমকি দিয়ে ফোন কেটে দেন।’‌

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।