মুম্বই:  দেশ জুড়ে করোনা পরিস্থিতির জেরে কার্যত বেহাল একাধিক পরিষেবা। ইতিমধ্যে একাধিক সংস্থা কর্মীদের বাড়ি থেকে কাজ অর্থাৎ ওয়ার্ক ফ্রম হোমের সুবিধা দিয়েছে। অন্যদিকে টলমল অর্থনীতির কারণে ক্রমশ কমছে বেতন। আর এর সঙ্গে সঙ্গেই চলছে কর্মী ছাঁটাই। আর এই পরিস্থিতিতে ফের কোপ সুইগিতেও।

আগেই খাবার ডেলিভারি এই অ্যাপ থেকে বেশ কিছু কর্মী ছাঁটাই করা হয়েছিল। তাতেও পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যায়নি। বরং প্রতিদিন আরও জটিল হচ্ছে পরিস্থিতি। আর তার জেরে ফের একবার পথে হাঁটল কতৃপক্ষ। সুইগির তরফে জানানো হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতির দিকে তাকিয়ে প্রায় ৩৫০ জন কর্মীকে নিয়ে চলা আর সংস্থার সম্ভব হচ্ছে না।

এর আগেই মে মাসে ১১০০ জন কর্মী ছাঁটাই করেছিল এই ফুড ডেলিভারি অ্যাপ। করোনার ফলে হওয়া আর্থিক ক্ষতি সামলানোর জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে আন লক প্রক্রিয়া শুরু হলেও আগের মত স্বাভাবিক হতে পারে নি এখনও পরিষেবা। আর সেই কারণেই এবারে ফের বেশ কিছু কর্মী বাধ্য হয়ে ছাঁটাই করল সুইগি।

এই করোনা পরিস্থিতিতে অনেক মানুষ বাইরের খাবার এড়িয়ে চলছেন। পাশপাশি এই পরিস্থিতিতে অনেক রেস্তোরাই বন্ধ রয়েছে। ফলে তাঁর প্রভাব এসে পরেছে সুইগিতে। দেশের ফুড ডেলিভারির ক্ষেত্রে সুইগি বহুল জনপ্রিয় সাধারণের কাছে। কিন্তু এই অবস্থাতে কার্যত তারাও নাজেহাল।

প্রতীকি ছবি

আর সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন তারা। সুইগির তরফে জানানো হয়েছে আগের ব্যবসার মাত্র ৫০ শতাংশ তারা ফিরে পেতে সক্ষম হয়েছেন। আর সেই কারণেই বাধ্য হয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়েছে।

তবে যে সকল কর্মীদের কাজ চলে গিয়েছে তাদের তিন থেকে আট মাসের মাইনে দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছে। তাঁর সঙ্গে আরও কিছু সুবিধা দেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে। তবে ইতিমধ্যে সুইগি আরও বেশ কিছু পরিষেবা দেওয়া শুরু করেছে যার মধ্যে মুদি দ্রব্য থেকে শুরু করে অ্যালকোহল পৌঁছে দেওয়ার সুবিধাও।

এই লক ডাউনের মধ্যে যার ফলে সুবিধা হয়েছে সাধারণের। মনে করা হচ্ছে দ্রুত আগের অবস্থা ফিরে পাবে এই সংস্থা।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ