কলকাতা: দেশ জুড়ে করোনার দাপট দিনে দিনে বাড়ছে। নিত্য সংক্রমণ দশ হাজার পেরিয়েছে। কলকাতা সহ বিভিন্ন রাজ্যেও পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে। বলিউডের মতোই একের পর এক টলিউড তারকা কোভিড আক্রান্ত হচ্ছেন। এমন পরিস্থিতিতে এক ভিন্ন রূপে দেখা গেল স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়কে। করোনার দাপটে সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের দুশ্চিন্তা প্রকাশের পাশাপাশি এগিয়ে এসেছেন করোনা আক্রান্তদের পাশে দাঁড়ানোর জন্যে।

করোনা আক্রান্তদের প্রতি নিজের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন স্বস্তিকা। হেল্পলাইন নম্বর, টিকা কেন্দ্র এবং করোনা পরীক্ষা কেন্দ্রের টোল ফ্রি নম্বর পোষ্ট করেছেন তার সোশ্যাল মিডিয়ায়। তিনি লিখেছেন, ‘আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন। প্রয়োজন ছাড়া নিশ্চয়ই কেউ বাড়ির বাইরে বেড়চ্ছেন না’। তিনি ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও কারুর পাশে দাঁড়াতে পাড়ছেন না বলে আক্ষেপ করে লিখেছেন, ‘বিগত কিছু দিনে করোনা যে তীব্র রূপ নিয়েছে তাতে আমি চেয়েও কারুর পাশে দাঁড়াতে পারছি না, কাউক কোন ভাবে সাহায্য করতে পারছি না। নিজেকে ভীষণই অসহায় লাগছে’।

নিজের বার্তা প্রদানের সঙ্গে তিনি কিছু হেল্পলাইন নম্বর, করোনা অতিমারি মোকাবিলার জন্যে টিকা কেন্দ্রের নম্বর, এবং করোনা পরীক্ষা কেন্দ্রের নম্বর শেয়ার করেছেন। যদিও এই নম্বর গুলি কলকাতা এবং হাওড়ার জন্যেই প্রযোজ্য। তবে তিনি নিশ্চিত করেছেন এই নম্বর গুলি প্রতিটিই আপ টু ডেট। তিনি নিজে তা যাচাই করে দেখে নিয়েছেন। আগামী দিনে এর মধ্যে কোন নম্বর পরিবর্তন হলে তাও তিনি জানিয়ে দেবেন বলেছেন।

আজ স্বস্তিকা করোনা রোগীদের জন্যে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলার ব্লাড ব্যাঙ্ক হাসপাতাল গুলির তালিকা প্রকাশ করেছেন। তালিকায় রয়েছে- কলকাতা, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, হুগলী, উত্তর ২৪ পরগণা, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, মালদা, দক্ষিণ দিনাজপুর, কোচবিহার, দার্জিলিং এর ব্লাড ব্যাংক হাসপাতাল গুলি।

স্বস্তিকার এরূপ মানবিক আচরণে তার অনুরাগীরা ভীষণই খুশি। তারা মুগ্ধ হয়েছেন অভিনেত্রীকে এই নতুন ভূমিকায় দেখে। এতদিন তার অনুগামীরা কেবল অভিনেত্রী স্বস্তিকাকেই চিনত এবং পছন্দ করত। তবে স্বস্তিকার এই নতুন ভূমিকা তার অনুগামীদেরও মনে সাহস জুগিয়েছে তার পাশে এগিয়ে আসার জন্যে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.