বারাসত : স্বাস্থ্যসাথী কার্ড থাকা সত্বেও বারাকপুরের বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা না পেয়ে মৃত্যু হল টিটাগড়ের এক বৃদ্ধার। মৃতের নাম সাহিদা বিবি (৬২)। টিটাগড় পুরসভার এ কে আজাদ রোডের বসিন্দা তিনি।

বছর ৬২ এর সাহিদা বিবি শনিবার সকালে হঠাৎই অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁর নিজের নামে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড থাকায় পরিবারের লোকেরা তাঁকে এদিন প্রথমে বি এম আর সি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে ওই বৃদ্ধাকে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দেয় যে, স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের কোনও বেড নেই তাদের হাসপাতালে।

এরপরই ওই রোগীকে বি এম আর সি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ভর্তি না নিয়ে ফিরিয়ে দেয়। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, ১৩০০ টাকা নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা করে ওই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রোগীকে ছেড়ে দেয়।

সাহিদা বিবির মেয়ে হামিদা বিবির অভিযোগ, বি এম আর সি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায় টাকা দিলে বেড পাওয়া যাবে, স্বাস্থ্যসাথী কার্ডে ভর্তি করা যাবে না। এরপর তাঁরা বারাকপুর বি এন বোস মহকুমা হাসপাতালে অসুস্থ বৃদ্ধা সাহিদা বিবিকে নিয়ে গেলে বিকেল চারটেয় মৃত্যু হয় ওই বৃদ্ধার।

তবে এই ঘটনায় বারাকপুরের বি এম আর সি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

এদিকে এই ঘটনায় টিটাগড় পুরসভার পুরপ্রশাসক মন্ডলীর সদস্য মহঃ জলিল জানান, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে টিটাগড়ের এ কে আজাদ রোড এলাকায় । এই ঘটনায় বারাকপুর বি এম আর সি হাসপাতাল কতৃপক্ষের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুঁসছে টিটাগড় এ কে আজাদ রোডের বাসিন্দারা ।

এমনিতেই স্বাস্থ্য সাথী কার্ডের সুবিধা না পাওয়া নিয়ে বিতর্কের কেন্দ্রে সরকার। এর আগে মালদহ জেলার হরিশচন্দ্রপুরে দুটি ঘটনার জেরে বিব্রত জেলা তৃণমূল শিবির।

ক্যান্সার আক্রান্ত শিশু, আবেদন করেও পায়নি স্বাস্থ্য সাথী কার্ড এমনই অভিযোগ। পাশে এসে দাঁড়ায়নি কোন জনপ্রতিনিধি। আর যার জেরে শুরু হয়েছে মালদহে রাজনৈতিক চাপানউতোর।
স্বাস্থ্য সাথীর কার্ড থাকা সত্ত্বেও মিলছে না চিকিৎসা পরিষেবা। এমনই অভিযোগ তুলে প্রশাসনের কাছে স্বেচ্ছামৃত্যুর আবেদন করার ঘটনায় ছড়িয়ে ছিল চাঞ্চল্য।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।