মেদিনীপুরঃ  দূরত্ব বেড়েছে অনেক দিন আগেই! শুক্রবার হঠাত করেই মন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগ করেন শুভেন্দু। শুধু মন্ত্রিত্ব থেকেই নয়, একাধিক সরকারি পদ থেকেও সরে যান তিনি। যদিও এখনও তৃণমূলের বিধায়ক পদেই রয়েছেন। ফলে এখনই যে দল ছেড়ে শুভেন্দু চলে যাবেন তা নিয়ে ভাবতে নারাজ তৃণমূল।

এখনও তাঁর সঙ্গে আলোচনার রাস্তা খোলা রাখতে চায় শাসকদল। কিন্তু শুভেন্দুর মন্ত্রিত্ব ত্যাগের পরেই অশান্ত হয়ে উঠল পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরি। জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে শুভেন্দু খাসতালুক খেজুরি দফায় দফায় অশান্ত হয়ে ওঠে।

জানা যায়, পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরিতে তৃণমূলের কার্য্যালয় ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ ওঠে বিজেপির বিরুদ্ধে। অভিযোগ, রাতের অন্ধকারে খেজুরির পাটনা, কণ্ঠীবাড়িতে তৃণমূলের কার্যালয় ‘দখল’ করে নেয় গেরুয়া শিবির। তৃণমূলের পতাকা ছিঁড়ে ফেলা হয় বলেও অভিযোগ।

লাগিয়ে দেওয়া হয় বিজেপির পদ্ম-পতাকা। আলিচকেও তৃণমূলের কার্যালয় ‘দখল’ করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। একের পর এক এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। এই ঘটনার রেশ ছড়িয়ে পড়ে শনিবারও।

ঘটনার পর আজ শনিবার সকাল থেকে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। সকাল থেকেই রাস্তা অবরোধ করে তৃণমূল। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে পদ্ম শিবির। উল্টে তাদের দাবি, ‘পুনরায় খেজুরিকে অশান্ত করার চেষ্টা করছে তৃণমূল।

প্রসঙ্গত, মন্ত্রিত্ব থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর শুভেন্দু অধিকারীর বিজেপি যোগের জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে। গেরুয়া শিবিরেরও দাবি, তাঁদের দলেই আসছেন শুভেন্দু। শুধু সময়ের অপেক্ষা। বিজেপি সূত্রে এও জানা যাচ্ছে যে, দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার কলকাতা সফরেই কি শুভেন্দুর দলবদল একপ্রকার নিশ্চিত।

গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, ডিসেম্বর মাসের ৭, ৮ ও ৯ তারিখে বাংলা সফরে আসছেন নাড্ডা। ওই সময়ই শুভেন্দু অধিকারী বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন।সূত্রের খবর, শহিদ মিনারের জনসভায় গেরুয়া পতাকা হাতে তুলে নিতে পারেন শুভেন্দু।

তবে পুলিস সূত্রে খবর, শহিদ মিনারের সমাবেশের অনুমতি চেয়ে কোনও আবেদন এখনও জমা পড়েনি। আবার এই শনিবার তিনি দিল্লি যাচ্ছেন বলে খবর। সেখানে দলবদল করবেন কিনা তা নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে। এদিকে, শুভেন্দুর সঙ্গে দ্রুত আলোচনায় বসতে চায় তৃণমূলও।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।