কলকাতাঃ  নতুন করে আবার জট! বৈঠকের পরেও কার্যত বোমা ফাটালেন শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার সাংসদ সৌগত রায়কে এসএমএস করেন শুভেন্দু অধিকারী৷ সেখানে সৌগত রায়কে শুভেন্দু সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, ‘একসঙ্গে কাজ করা সম্ভব নয়৷ আমাকে ক্ষমা করবেন৷’ সূত্রের খবর, মঙ্গলবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর বৈঠকের পর সৌগত রায় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, শুভেন্দু তৃণমূলেই আছেন৷ সব সমস্যা মিটে গিয়েছে। এরপরেই শুভেন্দুর এহেন আচরণে কার্যত প্রবল অস্বস্তিতে শাসকদল তৃণমূল।

তবে দুনৌকায় হয়তো পা দিয়ে চলতে আর নিজেও চাইছেন না শুভেন্দু অধিকারী। আর সেই কারনেই সম্ভবত আগামী রবিবার হয়তো তাঁর অবস্থান স্পষ্ট করবেন। তার ঘনিষ্ঠমহল সূত্রে খবর, সবকিছু ঠিক রবিবার সাংবাদিক বৈঠক করতে পারেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে তাঁর আগামিদিনের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ কোন পথে তা পরিষ্কার ভাবে সাধারণ মানুষকে জানাতে পারেন জননেতা।

উল্লেখ্য, সাত তারিখ মেদিনীপুর অর্থাৎ শুভেন্দু অধিকারীর খাস তালুকে সভা করার কথা রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যপাধ্যায়ের। আর তার আগেই নিজের অবস্থান পরিষ্কার করতে চান শুভেন্দু অধিকারী।

উল্লেখ্য, উল্লেখ্য মঙ্গলবার রাতে শুভেন্দু অধিকারী-অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-প্রশান্ত কিশোর বৈঠক হয়। প্রায় দু সপ্তাহ বৈঠক চলে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ফোন থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথাও হয় শুভেন্দুর। এরপরেই সৌগত রায় জানান যে, সব সমস্যা মিটে গিয়েছে। দলেই রয়েছেন শুভেন্দু। যদিও ২৪ ঘন্টা কাটতে না কাটতেই ফের ছন্দপতন!

‘একসঙ্গে কাজ করা মুশকিল, মাফ করবেন,’ সৌগত রায়কে হোয়াটস অ্যাপ শুভেন্দুর। ‘আমার বক্তব্যের এখনও সমাধান করা হয়নি। সমাধান না করেই আমার ওপর সব চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ৬ ডিসেম্বর আমার সাংবাদিক সম্মেলন করার কথা ছিল। সাংবাদিক সম্মেলন করে সব জানানোর কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই সংবাদমাধ্যমকে সব জানিয়ে দিলেন।

ফলে একসাথে কাজ করা মুশকিল, মাফ করবেন,’ সৌগতকে হোয়াটস অ্যাপ করে জানালেন শুভেন্দু। শুভেন্দুর মেসেজ পেয়েছি, জানালেন সৌগত। ‘কালকের বৈঠকে যা হয়েছিল, সত্যনিষ্ঠার সঙ্গে জানিয়েছিলাম। কালই বলেছিলাম শুভেন্দু পরে বলবে।

এরপর শুভেন্দু মত পরিবর্তন করলে তার সিদ্ধান্ত,’ শুভেন্দুর হোয়াটস অ্যাপ নিয়ে প্রতিক্রিয়া সৌগতর। ‘দলের সঙ্গে সমঝোতা সম্ভব নয়, এটা হওয়ারই ছিল,’ শুভেন্দুকে নিয়ে মন্তব্য কৈলাস বিজয়বর্গীয়র।

এই বিষয়ে তৃণমূল সাংসদ সৌগত জানিয়েছেন, ‘আমি আপনাদের কাছে সত্যনিষ্ঠার সঙ্গে বলেছি, গতকালের বৈঠকে যা হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী ছাড়া আরও চারজন উপস্থিত ছিলাম। যদি উনি মন পরিবর্তন করে থাকেন, তাহলে সেটা তাঁর সিদ্ধান্ত নেওয়ার ব্যাপার। তিনি আপনাদের সিদ্ধান্ত জানাবেন। এর বেশি আমি কিছু বলব না।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।