ফাইল ছবি।

নয়াদিল্লি: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারীর পছন্দের কেন্দ্র নন্দীগ্রাম। তিনি ওই কেন্দ্র থেকেই লড়তে চান বলে বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। সে ক্ষেত্রে একুশের মহাযুদ্ধে নন্দীগ্রামের ময়দানে একেবারে হাইভোল্টেজ ম্যাচ দেখা যেতে পারে। কারণ নন্দীগ্রাম থেকেই খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভোটে দাঁড়াতে চেয়েছেন।

কয়েক মাস আগে তৃণমূল থেকে বিদ্রোহ করে দল ছেড়ে বেরিয়ে যেতে দেখা গিয়েছিল শুভেন্দু অধিকারীকে। যোগ দিয়েছিলেন বিজেপিতে। যখন দল ছাড়তে পারেন বিভিন্ন মহলে কানাঘুষা চলছিল সেই সময় তৃণমূল নেতৃত্ব চেষ্টা করেছিল শুভেন্দুকে আটকাতে। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি তিনি দল ছেড়েছিলেন ।আর তার দল ছাড়ার কারণ হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ভূমিকাকেই দায়ী করতে দেখা গিয়েছিল।আর তৃণমূলের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলতে তার স্লোগান ‘তোলাবাজ ভাইপো হাটাও’ ইদানিং বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।

ফাইল ছবি৷

শুভেন্দু দল ছাড়ার পর নন্দীগ্রামের মাটিতে এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে জানিয়েছিলেন, নন্দীগ্রাম তার সব থেকে লাকি জায়গা এবং এই কেন্দ্র ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল জিতবে। শুধু তাই নয় ওই কেন্দ্রে তিনি দাঁড়াতেই পারেন বলে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন সেদিনে জনসভায়। আর সেই কথা শুনে শুভেন্দু পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছিলেন, নন্দীগ্রামে হাফ লাখের বেশি ভোটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারাবেন। সে ক্ষেত্রে তিনি যদি প্রার্থী হন অথবা যিনি বিজেপির প্রার্থী হবেন ওই কেন্দ্রে তাকে জেতানোর দায়িত্ব তার বলে ঘোষণা করেন।

রাজ্যে এবার যদি বিজেপি ক্ষমতায় আসে তাহলে কে মুখ্যমন্ত্রী হবেন সে ব্যাপারে তেমন কোনো মুখ দলের পক্ষ থেকে তুলে ধরা হয়নি। কিন্তু বিভিন্ন মহলের কানাঘুষো যেভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে একেবারে বিদ্রোহ করে দল ছেড়েছেন তাতে শুভেন্দু অধিকারী ভাবি মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন বলে নানা মহলে কানাঘুষো শুরু হয়েছিল।

এদিকে দিল্লিতে বাংলা প্রার্থী তালিকা তৈরির জন্য বিজেপি শীর্ষ নেতারা বৈঠকে বসেছিলেন ‌।সেই বৈঠক থেকে বেরোনোর পর রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, তিনি ডোমজুড় থেকে লড়তে চান এবং শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রাম থেকে প্রার্থী হতে চান বলে ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে।

ছাত্র রাজনীতি করে আসা শুভেন্দু প্রথমে কংগ্রেস এবং পরবর্তীকালে তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্য ছিলেন। ১৯৯৫ সালে তিনি কাঁথি পৌরসভার কাউন্সিলর হন। তবে তাঁর সঙ্গে নন্দীগ্রামের সম্পর্ক বহুদিনের। কাথির বিধায়ক থাকাকালীন জড়িয়ে পড়েছিলেন নন্দীগ্রাম ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির আন্দোলনের সঙ্গে ‌। সেখানে সেই সময় কেমিকাল হাব করার জন্য জমি নিতে গেলে স্থানীয় মানুষ তার বিরোধিতা করেছিল। সেই বিরোধিতা থেকে আন্দোলন ইতিহাস সৃষ্টি করেছে । এরপর২০০৯ এবং২০১৪ লোকসভায় তিনি তমলুক কেন্দ্র থেকে জয়ী হন। অবশ্য তারপর ২০১৬ সালে তাকে বিধায়ক করার পাশাপাশি রাজ্যের মন্ত্রী করা হয়।

তবে গত বছর তিনি প্রথমে রাজ্যের মন্ত্রী হিসেবে পদত্যাগ করেন। তার কয়েকদিন পরে বিধায়ক পদ এবং তৃণমূল দলের সদস্য পদ ত্যাগ করেন। এরপর অমিত শাহের উপস্থিতিতে যোগ দেন বিজেপিতে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।