স্টাফ রিপোর্টার, তমলুক: যারা দেশের সীমান্ত রক্ষায় নিজের জীবনকে আত্মবলিদান দিচ্ছে তাঁদের কথা ভুললে চলবে না। তাঁদের পরিবারের পাশে আমাদের দাঁড়াতে হবে। শনিবার ৭৪ তম স্বাধীনতা দিবসের াঅনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে একথায় জানালেন রাজ্যের পরিবহন, সেচ ও জলসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

এদিন তিনি বলেন, “যারা দেশকে রক্ষা করার জন্য বহিঃ শত্রুর হাতে মৃত্যু বরণ করছে তাঁদের ভুললে চলবে না। তাঁদের পাশে দাঁড়াতে সর্বাধিনায়ক সতীশ চন্দ্র সামন্তের নামে আমরা একটি ট্রাস্ট গড়ে তুলেছি। সেই ট্রাস্টের পক্ষ থেকে গত বছর পুলওয়মার অবন্তিপুরাতে সিআরপিএফের যারা শহীদ হয়েছিলেন তাদের মধ্যে বাংলার দুজন ছিলো। আমরা সেই দুই পরিবারে হাতে ১০ লক্ষ টাকা তুলে দেওয়ার পাশাপাশি তাঁদের পাশে সবসময় থাকার কথা দিয়েছি। এইভাবে আমাদের জন্য যারা দেশ রক্ষার লড়াই করে চলেছে তাঁদের পাশে থাকা দরকার রয়েছে। তবেই আজকের দিনটিকে মর্যাদা দেওয়া হবে।”

এদিন তমলুকের নিমতৌড়ির ” স্মৃতিসৌধ” এ জাতীয় পতাকা উত্তলন, শহীদদের সম্মান জানান মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এছড়াও উপস্থিত ছিলেন স্বাধীনতা সংগ্রামী রণজিৎ বয়াল, সাধন চন্দ্র প্রামানিক সহ অন্যান্যরা।

করোনা আবহের মধ্যে সরকারি নিয়ম মেনে দূরত্ব বজায় রেখে পালন করা হয় ৭৪ তম স্বাধীনতা দিবস।। গত কয়েকদিন ধরে কার্যত কিছুটা নিজেকে আড়ালেই রেখেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এমনও হয়েছে সরকারি অনুষ্ঠানের বিজ্ঞাপনে নাম থাকা সত্ত্বেও তাঁকে দেখা যায়নি।

একবার নয়, একাধিক বার হয়েছে এমন ঘটনা। যেমন গত কয়েকদিন আগে ঝাড়গ্রামে হওয়া হুল দিবস ও আদিবাসী দিবসের এই দুটি অনুষ্ঠানেই হাজির ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। আর ঠিক সে সময় কাছাকাছি অন্য অনুষ্ঠানে হাজির থেকেছেন শুভেন্দু।

শুধু তাই নয়, তৃণমূলের প্রথম রাজ্য সমন্বয় কমিটির বৈঠকেও দেখা মেলেনি তাঁর। হঠাত নিজেকে আড়াল করে নেওয়ার কারণ কি?রাজনৈতিকমহলে শুরু হয় জোর জল্পনা। যদিও পরে বিষয়টি খোদ মুখ্যমন্ত্রীর নজরে পড়ে। সমস্ত দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে সমস্ত জল্পনা উড়িয়ে স্বাধীনতা দিবসে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে মাতলেন শুভেন্দু অধিকারী।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।