ফাইল ছবি

খড়গপুর(পশ্চিম মেদিনীপুর): নীল সাদা রঙের চৌহদ্দিতে লাল বিপ্লবের আন্তর্জাতিক নেতা লেনিন মুড়েছেন। ঘটা করে উদ্বোধন হয়েছে। আরও চমক, খোদ তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক নিজে এসে ‘মহামতি’ লেনিন’ আবক্ষ ভাস্কর্যের উদ্বোধন করেছেন।

তৃণমূল কি লেনিনবাদী হচ্ছে? উঠতে শুরু করেছে প্রশ্ন। সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্র শ্লেষের মুখে পড়ছেন খড়গপুরের বিধায়ক প্রদীপ সরকার। শহরের ২০ নম্বর ওয়ার্ডে এই লেনিন ভাস্কর্যের নবরূপায়ণ হয়েছে। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেখানো পথে নীল সাদা রঙে মুড়ে গিয়েছেন ‘লাল বিপ্লবী’ লেনিন।

সোমবার রুশ বিপ্লবের নেতা লেনিন ভাস্কর্যের নবরূপায়ণ অনুষ্ঠানে ছিলেন তৃণমুলের বিধায়ক। আমন্ত্রণ পেয়ে আসেন স্থানীয় বাম নেতৃত্ব। বিধায়ক প্রদীপ সরকার বলেন, লেনিন কোনও দলের নয়। উনি মেহনতি মানুষের জন্য আন্দোলন করেছেন। আমরা দলমত নির্বিশেষে কাজ করতে চাই। তাই পৌরসভার এই অনুষ্ঠানে যারা লেনিনের মতবাদ নিয়ে রাজনীতি করেন সেই বাম নেতৃত্বকে আমন্ত্রণ জানিয়েছি। সোমবার অনুষ্ঠানের পর থেকেই বিতর্ক। খোদ বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ সাংসদ এই এলাকার। বিজেপি অবশ্য লেনিন ভাস্কর্য বসানোয় তৃণমূলের কটাক্ষ করেছে।

এদিকে বাম মহলও তৈরি। উদ্যোগ কে সাধুবাদ জানিয়েছেন। তবে তার সঙ্গে শুরু হয়েছে শ্লেষাত্মক আক্রমণ। বলা হচ্ছে ভোট এসেছে পতন অনিবার্য বুঝে বামেদের জনকল্যাণ নীতি আউড়ে চলেছে তৃণমূল। লেনিন ভাস্কর্যের নবরূপায়ণ অনুষ্ঠানে মেহনতি মানুষের কথা বলছেন তৃণমূল বিধায়ক! অথচ রাজ্যে কর্মসংস্থানের হাঁড়ির হাল। প্রান্তিক মেহনতি মানুষের পাওনা সরকারি টাকার নয়ছয় হয়েছে তৃ়ণমূল আমলেই।
একইসঙ্গে আলোচনায় পূর্ব মেদিনীপুরের সদ্য তৃণমূল ত্যাগী বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি দলীয় সমাবেশে বাম আমলের প্রশংসা করছেন। বাম তথা সিপিআইএম নেতৃত্বের কটাক্ষ, বাম আমলের সুফল মানুষ পেয়েছেন ‘পশ্চিমবঙ্গের হাল ফেরাবে লাল’। বাম ভোটারদের কাছে টানতে তৃণমূল ও বিজেপি চাল চেলেছে বলেই তাঁদের কটাক্ষ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।