পুরুলিয়াঃ   বাংলার সমস্ত মানুষকেই বিনামূল্যে দেওয়া হবে করোনার ভ্যাকসিন! যদিও সবার আগে পাবেন একেবারে সামনের সারিতে দাঁড়িয়ে যারা কাজ করছেন তাঁরা। কিছুদিন আগেই চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, সাফাইকর্মীদের মতো কোভিড যোদ্ধাদের মোবাইলে রাজ্য সরকারের এই বার্তা পৌঁছেছিল।

এ বার পুলিশকর্মীদের বিনামূল্য টিকা দেওয়া হবে বলে খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম করে বার্তা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর এহেন বার্তা ঘিরে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক চাপানোতর।

বিজেপির দাবি, ইতিমধ্যে দেশের মানুষকে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দেওয়ার ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। নতুন করে মুখ্যমন্ত্রীর এহেন বার্তার মানে কি? প্রশ্ন বঙ্গ বিজেপির। কার্যত এই ইস্যুতেই মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে আক্রমণ সানিয়েছেন শুভেন্দু।

তিনি বলেছেন, ‘কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বললেন ৩০ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দেবেন। এখন মুখ্যমন্ত্রী বলছেন, বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দেবেন। আবার না কেন্দ্রের প্রকল্পের নাম চুরি করেন মুখ্যমন্ত্রী। আমার আশঙ্কা, মুখ্যমন্ত্রী এর নাম টিকাশ্রী না দিয়ে দেন!’

তৃণমূলকে আক্রমণ করে শুভেন্দু আরও বলেছেন, ‘ব্যালটের বান্ডিল বদলে জোড়াফুল করত। আমি তৃণমূলে ছিলাম, জানি কীভাবে সব হত। জেলা থেকে তোলার টাকা পৌঁছত কলকাতায় আর তোলাবাজ ভাইপোর দল চাকরি দিয়েছে। কয়েকদিন পর মিথ্যাশ্রী, কুত্‍সাশ্রী করতে আসবেন একজন। কৃষক নিধি সম্মান থেকে কেন বঞ্চিত বাংলার চাষিরা? বিজেপি এলে আয়ুষ্মান ভারত চালু হবে বাংলায়। বিজেপি জিতবেই বাংলায়।’

অন্যদিকে, গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে গণনায় কারচুপি করে পুরুলিয়া ও ঝাড়গ্রাম জেলা পরিষদ দখল করেছে তৃণমূল। রবিবার পুরুলিয়ায় রোড শোয়ে অংশ নিয়ে এমনটাই দাবি করলেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী।

এদিন কাশীপুর ন’পাড়া এলাকা থেকে রোড শো চলাকালীন শুভেন্দু বলেন, “এখানে জেলাপরিষদ ভারতীয় জনতা পার্টিই পেয়েছে। আমি জানি কীভাবে মধ্যরাতে গণনাতে কারচুপি করে পুরুলিয়া ও ঝাড়গ্রাম জেলা পরিষদ তৃণমূল অবৈধভাবে দখল করেছে। মানুষ লোকসভা ভোটে প্রত্যাখ্যান করেছে। আমার বিশ্বাস বিধানসভা ভোটে এখানে ৯-০ হবে। এর পর ১৫ দিন অন্তর পুরুলিয়ায় আসব।”

পালটা তৃণমূল নেতা তথা রাজ্যের মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেন, “সেদিন শুভেন্দুও তৃণমূলের অংশীদার ছিল। তাই যদি কিছু হয়ে থাকে তার দায় শুভেন্দুরও। শুধু তৃণমূলকে কালি মাখিয়ে পালিয়ে যাওয়া যাবে না। সেই কালি ওকেও মাখতে হবে।”

এদিন শুভেন্দু অভিযোগ করেন, “প্রশাসনকে ব্যবহার করে সন্ত্রাস চালাচ্ছে। মিথ্যে মামলা দিচ্ছে। আমি জানি এগুলো। খুব নিন্দনীয় ঘটনা। গত ভোটে মানুষ দুহাত তুলে পদ্মফুলে ভোট দিয়েছেন। আগামীতেও দেবেন। মানুষ এখানকার বিধায়ককে দূরে সরিয়ে দিয়েছেন। পঞ্চায়েত থেকে জেলা পরিষদ পর্যন্ত নিজের লোককে বসিয়ে রেখেছেন বিধায়ক। আদর্শ নির্বাচনী বিধি চালু হলে বিধায়ক হয়তো প্রচারে বেরতে পারেন, কিন্তু তাঁর প্রচারে কোনও লোক থাকবে না।”

রোড শোএ- এদিন ব্যাপক জন সমাগত হয়েছিল। যা দেখে খুশি শুভেন্দু অধিকারী।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।