কলকাতাঃ  বিজেপিতে যোগদান এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা! বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর হাত ধরেই বিজেপিতে যেতে পারেন তিনি। এমনটাই জোর জল্পনা রাজনৈতিকমহলে। গত কয়েকদিন আগেই তিনি বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন বলে জোর জল্পনা তৈরি হয় রাজনৈতিকমহলে।

সম্প্রতি অভিনেতা জানিয়েছেন, রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে কাজ করতে চান তিনি। শুধুমাত্র সময়ের অপেক্ষা। এ নিয়ে বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে কথা হয়েছে তাঁর। এরপরেই তিনি জানিয়েছেন, যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন তিনি বিষয়টি। তবে কবে আনুষ্ঠানিক ভাবে রুদ্রনীল বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন সে বিষয়ে কিছু জানাননি তিনি।

জানা যায়, বুধবার রাতে এক সামাজিক অনুষ্ঠানে শুভেন্দুর সঙ্গে রুদ্রনীলের দেখা হয়। শুভেন্দু অধিকারী খুবই কাছের মানুষ রুদ্রনীলের। ফলে দীর্ঘক্ষণ নানা বিষয় কথা হয় দুজনের। যার মধ্যে অবশ্যই হয় রাজনৈতিক কথাবার্তাও। সেখানে তাঁর বিজেপিতে যোগদানের বিষয়েও কথাবার্তা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

শোনা যায়,সবকিছু ঠিক থাকলে ফেব্রুয়ারি থেকে সক্রিয় রাজনীতিতে নামতে চলেছেন রুদ্রনীল। জানুয়ারি মাসের শুরুতে অভিনেতার সঙ্গে দেখা করেন বিজেপির যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদক শঙ্কুদেব পণ্ডা। সূত্রের খবর, সেই সাক্ষাতে শঙ্কুই রুদ্রনীলকে বিজেপিতে যোগদানের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। রাজনীতির সঙ্গে দীর্ঘদিনের ওঠাপড়া অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ।

তবে বাম রাজনীতির সঙ্গে সম্পর্ক ছিল একটা সময় অনেকটাই গভীরে। ছাত্র জীবনে দীর্ঘদিন বাম রাজনীতি করেছেন।

এরপর সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম পর্বের পর তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে দাঁড়ান অভিনেতা। কার্যত তৃণমূল নেত্রীর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তৃণমূলে যোগ দেন তিনি৷ রাজ্যের বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ সংসদের সভাপতি হন৷ হাওড়ার একটি কলেজের পরিচালন সমিতির সভাপতির পদেও বসানো হয়েছিল তাঁকে। ভোটে রুদ্রনীল রীতিমত দলের হয়ে প্রচার করেছিলেন।

কিন্তু ২০১৯ সালের মাঝামাঝি সুর কাটে। দূরত্ব তৈরি হয় তৃণমূলের সঙ্গে। সেবছর একুশে জুলাইয়ের মঞ্চে ছিলেন না রুদ্র। রাজ্যে কাটমানির চল থেকে শুরু করে সিন্ডিকেট রাজ- একাধিক ইস্যুতে শাসকদলের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন।

একবার নয়, একাধিকবার ক্রজত বোমা ফাটিয়েছেন। একটা সময় বহু সরকারি পদে ছিলেন। সেখানে থেকেও কাজ করতে না পারা নিয়ে মুখ খুলেছিলেন। এমনকি দলনেত্রীকেও সে বিষয়ে জানিয়েছিলেন।

কিন্তু কোনও কাজ হয়নি বলে অভিযোগ তাঁর। শেষ পর্যন্ত চক্ষুশূল হয়ে সমস্ত সরকারি পদ থেকে সরতে হয় তাঁকে। তারপর প্রায় বছর দেড়েক সক্রিয় রাজনীতিতে দেখা যায়নি রুদ্রনীলকে। কিন্তু ফের একবার সক্রিয় হতে চলেছেন তিনি!

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।