নন্দীগ্রামঃ  আরও একবার তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। স্লোগান চুরি নিয়ে একেবারে সুপ্রিমোকে বিঁধলেন নন্দীগ্রামের প্রাক্তন এই বিধায়ক। আজ প্রজাতন্ত্র দিবসে ফের নন্দীগ্রামে যান শুভেন্দু। সেখানে কেন্দ্রের কৃষি আইনের সমর্থনে নিমতৌড়ি থেকে শিবরামপুর একটি মিছিলে যোগ দেন।

একদিকে যখন বিতর্কিত কৃষি আইনের বিরুদ্ধে উত্তাল দিল্লি অন্যদিকে বাংলায় এই আইনের সমর্থনেই মিছিল করলেন শুভেন্দু। মিছিল শেষে সভায় যোগ দেন তিনি। সেখান থেকে আরও একবার তৃণমূল সুপ্রিমও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করলেন তিনি। কার্যত ‘চোর’ বলে আক্রমণ নন্দীগ্রামের ভুমিপুত্রের।

তিনি বলেন, “আপনারা দেখেছেন লকডাউনে চাল চুরি, আমফানে ত্রিপল আর টাকা চুরি, করোনাতে ভ্যাকসিন চুরি আর গতকাল সভায় গিয়ে এদের নেত্রী বিজেপির স্লোগানও চুরি করলেন। তবে খাটে উঠে গিয়েছে, এখন আর কৃষ্ণ নাম নিয়ে কিছু হবে না। এখন হরিবোল বলতে হবে।”

পাশাপাশি তৃণমূলকে তাঁর আক্রমণ, “নৌকা ফুটো হয়ে গেছে।” একই সঙ্গে ফের একবার তোলাবাজ ভাইপো বলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করেন শুভেন্দু অধিকারী।

তিনি বলেন, উনি তো ছোটবেলা থেকেই চিটিংবাজি শিখেছেন। তবে অনেক কিছু তোলা রয়েছে…সময় হলেই বলবেন বলে ইঙ্গিত দিয়ে রাখলেন শুভেন্দু।

সভা শেষে বিজেপির একমুঠো চাল সংগ্রহ কর্মসুচি (কৃষক সুরক্ষা অভিযান) অনুযায়ী চাল সংগ্রহ করেন তিনি। এরপরেই দুপুরে নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর পাত পড়ে সেখানকার এক কৃষক পরিবারে।

পুরশুড়ার সভা থেকে নতুন স্লোগান বেঁধে দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর স্লোগান, ‘‌‌হরে কৃষ্ণ হরে হরে, তৃণমূল ঘরে ঘরে। আর এই স্লোগানকে কেন্দ্র করেই নয়া বিতর্ক বাংলায়।

শুভেন্দুর কথায়, ‘‌এর আগে আমরা দেখেছি তৃণমূল লকডাউনে চাল চুরি করেছে, আমফানে ত্রিপল চুরি করেছে, মোদীজির পাঠানো করোনার টিকা চুরি করেছে আর আজ ওদের নেত্রী বিজেপি–র স্লোগান চুরি করল। হুগলির পুরশুড়ায় তিনি বলেছেন, হরে কৃষ্ণ হরে হরে, তৃণমূল ঘরে ঘরে।’‌

শুভেন্দুর কটাক্ষ, ‘‌আরে তৃণমূল হরি বোল হয়ে গিয়েছে। কৃষ্ণ নাম করে কিছু হবে না। অন্তিম যাত্রায় এগিয়ে চলেছে ঘাসফুল।’‌

শুভেন্দুর আরও অভিযোগ, ‘‌আমি বলেছিলাম, লাল চুল, কানে দুল তার নাম যুবা তৃণমূল। ওখানে (‌পুরশুড়া)‌ তৃণমূলনেত্রী বলেছেন যে লাল চুল, কানে দুল দেখলে আটকে রাখতে হবে। অতএব, স্লোগানটাও শেষপর্যন্ত চুরি হয়ে গেল।’‌

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।