স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: অবহেলিত, ক্ষুব্ধ, তৃণমূল নেতা-কর্মীদের কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানালেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। কংগ্রেসে এলে তাঁদের যথাযোগ্য মর্যাদা দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

অধীর চৌধুরীর টুইট বার্তা, ‘‘তৃণমূল দলের কোনও রাজনৈতিক অস্তিত্ব নেই। যাঁরা মনে করবেন তৃণমূল করতে অসুবিধা হচ্ছে, তাঁদের জন্য কংগ্রেসের দরজা খোলা আছে। কংগ্রেস থেকে তৃণমূল দলের জন্ম হয়েছিল। আপনারা আবার কংগ্রেসে ফিরে আসুন। আপনাদের মর্যাদা দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে কংগ্রেসের।’’

বিধানসভা নির্বাচনের আগে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে খুবই তাৎপর্যপূর্ণ অধীরের এই টুইট। রাজনৈতিক মহলের অনেকেই মনে করছেন, অধীর চৌধুরী কি তবে নাম না করে শুভেন্দু অধিকারীকেই বার্তা দিয়ে রাখলেন?

কারণ, বেশ কিছু দিন ধরে শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দলের যে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল, সাম্প্রতিক বাগ্‌যুদ্ধের পর সেই সংঘাত কয়েকগুণ বেড়ে গিয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। অধীরের জেলা মুর্শিদাবাদেও যাতায়াত শুরু করেছেন শুভেন্দু। এমনকি কদিন আগেই শুভেন্দু অধিকারীর সমর্থনে মুখ খুলেছিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি।

অধীর চৌধুরি বলেছিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উত্থানের নেপথ্যে শুভেন্দু অধিকারীর ভূমিকা অগ্রাহ্য করা যায় না। বাংলায় দিদি আজ যে জায়াগায় পৌঁছেছেন, তার পেছনে সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম ফ্যাক্টর রয়েছে। নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারী ও তাঁর পরিবারের অবদান সবচেয়ে বেশি।

এরপরই তিনি বলেন, “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘প্রোমোট’ করার জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শুভেন্দু অধিকারীকে ‘ছেঁটে’ ফেলতে চাইছেন। তাই বিদ্রোহ তো হবেই। আর সে বিদ্রোহের শিকড়বাকড় বহুদূর যাবে।” এবার তাই অধীরের বার্তা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে দেখা দিয়েছে।

এদিকে, মুর্শিদাবাদ জেলা সভাধিপতি তথা তৃণমূল নেতা মোশারফ হোসেনের নিরাপত্তারক্ষী তুলে নিয়েছে রাজ্য সরকার। এ বিষয়ে অধীর বলেন, ‘‘প্রশাসনকে দিয়ে দলকে রক্ষা করার চেষ্টা করছে তৃণমূল। এর আগেও প্রাক্তন জেলা সভাধিপতিকে মিথ্যে মামলায় জড়ানো হয়েছে। নানা ভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করছে রাজ্যের শাসকদল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I