কলকাতা: জল্পনা আরও বাড়ালেন শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার নবান্নে রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে গরহাজির রইলেন পরিবহণমন্ত্রী। শুধু শুভেন্দুই নন, এদিনের মন্ত্রিসভার বৈঠকে ছিলেন না রাজ্যের আরও তিন মন্ত্রী। এঁদের মধ্যে দুই মন্ত্রীর গরহাজির থাকার কারণ স্পষ্ট নয়।

বুধবার নবান্নে রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠক হয়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে চলা এই বৈঠকে ছিলেন না মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, গৌতম দেব ও রবীন্দ্রনাথ ঘোষ।

নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন মন্ত্রী গৌতম দেব। সেই কারণেই এদিনের বৈঠকে তিনি গরহাজির ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। একইসঙ্গে শারীরিক অসুস্থতার কারণ জানিয়ে বুধবারের বৈঠকে হাজির ছিলেন না মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ।

তবে পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও রাজ্যের আর এক মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপস্থিতি নিয়ে তৈরি হয়েছে জোরদার জল্পনা। নন্দীগ্রামের বিধায়ক তথা পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী গত কয়েকমাস ধরে দলের সঙ্গ এড়িয়ে চলছেন।

মাসের পর মাস ধরে দলের ব্যানার ছাড়াই সভা-সমাবেশে যোগ দিচ্ছেন। একাধিক সমাবেশে জোরদার সমালোচনায় বিঁধেছেন তৃণমূল নেতৃত্বকে। এমনকী শুভেন্দু দল ছাড়তে পারেন বলেও ইদানীং বিস্তর জলঘোলা হয়।

তবে মঙ্গলবার নন্দীগ্রামে ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির ‘শহিদ’ সমাবেশে দল ছাড়ার জল্পনা এড়িয়েছেন শুভেন্দু। রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত রাজনীতির মঞ্চ থেকেই নেবেন বলে স্পষ্ট করে দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।

মঙ্গলবার নন্দীগ্রামের সভামঞ্চ থেকেও নাম না করে তাঁর দল তৃণমূলকে বিঁধেছেন শুভেন্দু। তিনি বলেছেন, ‘‘১৩ বছর পর নন্দীগ্রামের কথা মনে পড়ল।’’ একইসঙ্গে সভা শেষে ‘ভারতমাতা জিন্দাবাদ’ ধ্বনিও শোনা যায় তাঁর গলায়।

দলের সঙ্গে ইদানীং সম্পর্ক ‘ভালো’ না থাকার জেরেই মন্ত্রিসভার বৈঠকে গরহাজির ছিলেন শুভেন্দু অদিকারী। তৃণমূল সূত্রে অন্তত এমনটাই জানা গিয়েছে। তবে এদিনের বৈঠকে বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় কেন উপস্থিত ছিলেন না তা এখনও স্পষ্ট নয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।