কলকাতা: বিধানসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। এবার প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করার পালা। বিজেপিতেও প্রার্থী তালিকা ডূড়ান্ত করতে তৎপরতা তুঙ্গে। মঙ্গলবার দলের কোর কমিটির বৈঠক হয়েছে। নন্দীগ্রাম থেকে শুভেন্দু অধিকারীকে প্রার্থী কররার চিন্তাভাবনা করছে দল, এমনই জানিয়েছেন খোদ বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তবে এখনই এব্যাপারে চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলেই জানিয়েছেন দিলীপ ঘোষ।

পশ্চিমবঙ্গে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন হতে চলেছে আট দফায়। পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফার ভোট ভোট ২৭ মার্চ। এই দফায় ভোট হবে ৩০টি আসনে। দ্বিতীয় দফার ভোট ১ এপ্রিল। ৩০টি আসনে হবে ভোট গ্রহণ। তৃতীয় দফায় ৬ এপ্রিল ৩১ টি আসনে ভোট হবে। চতুর্থ দফায় ১০ এপ্রিল ৪৪টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। পঞ্চম দফায় ৪৫টি আসনে ভোট হবে ১৭ এপ্রিল। ষষ্ঠ দফায় ভোট হবে ২২ এপ্রিল। সপ্তম দফায় ভোট গ্রহণ হবে ২৬ এপ্রিল ও অষ্টম তথা শেষ দফায় ভোট হবে ২৯ এপ্রিল। বাংলা সহ পাঁচ রাজ্যেই ভোট গণনা ২ মে।

একুশের ভোট প্রেস্টিজ ফাইট। বাংলা দখলে মরিয়া গেরুয়া শিবির। নির্বাচনের নির্ঘণ্ট গোষণার পর থেকেই বিজেপি প্রার্থী বাছাইয়ের তৎপরতা শুরু করে দেয়। মঙ্গলবার কলকাতায় দলের হেস্টিংসের কার্যালয়ে কোর কমিটির বৈঠক হয়েছে।

বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে দলের প্রার্থীতালিকা চূড়ান্ত করতেই এই কোর কমিটির বৈঠক হয় বলে জানা গিয়েছে। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানান, নন্দীগ্রাম থেকে শুভেন্দু অধিকারীকে প্রার্থী করার ব্যাপারে চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। তবে এখনও এব্যাপারে চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলেই তিনি জানিয়েছেন।

এরই পাশাপাশি দিলীপ ঘোষ আরও জানিয়েছেন, রাজ্যের ২৯৪টি কেন্দ্রেই একাধিক নাম প্রার্থী হওয়ার জন্য বিবেচনায় রাখা হয়েছে। তবে এখনই কারও নামে সিলমোহর দেওয়া হয়নি। দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে কথা বলার পরেই প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.