পাঁশকুড়া: তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা ঘোষণার দিনেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হুঁশিয়ারি দিয়ে রাখলেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিন পাঁশকুড়ার সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশ্যে শুভেন্দুর বার্তা, ‘‘নন্দীগ্রামে প্রার্থী হয়েছেন। আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। লড়াইয়ের ময়দানে দেখা হবে। ওখানে যত ভোটে আপনি হারতেন, এখানে তার তিনগুণ ভোটে হারাব।’’

একুশের লড়াই জমজমাট। সবার আগে রাজ্যের সব আসনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে দিয়ে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলিকে চাপে ফেলার কৌশল তৃণমূলের। আসন্ন বিধানসভা ভোটে তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে নন্দীগ্রাম থেকে ভোটে লড়ছেন। তাঁর পুরনো আসন ভবানীপুরে প্রার্থী হয়েছেন দলের বর্ষীয়ান নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শুক্রবার দুপুরেই প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে দিয়েছেন। ঠিক তার কিছু সময় পরেই পাঁশকুড়ার সভা থেকে তৃণমূলনেত্রীকে কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি দিয়ে রাখলেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী।

এদিন পাঁশকুড়া দলের সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশ্যে শুভেন্দু বলেন, ‘‘নন্দীগ্রামে প্রার্থী হয়েছেন। আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। লড়াইয়ের ময়দানে দেখা হবে। ওখানে যত ভোটে আপনি হারতেন, এখানে তার তিনগুণ ভোটে হারাব।’’ বিজেপি সূত্রে খবর, শুভেন্দু নিজেও নাকি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সম্মুখ-সমরে ভীষণভাবে আগ্রহী। দলের নেতাদের নাকি সেকথা নিজে মুখে জানিয়েছেন তিনি। যদিও এখনও পর্যন্ত বিজেপি বঙ্গের ভোটে তাঁদের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেনি।

এদিকে, সবার আগে প্রার্থী রাজ্যের সব আসনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে দিয়ে এমনিতেই বিরোধীদের চাপে ফেলার কৌশল নেওয়ার ক্ষেত্রে অনেকটাই সফল তৃণমূল। শাসকদলে ভোটের মুখে ফের তারকা প্রার্থীদের যোগদানের হিড়িক। তাঁদের নিরাশও করেননি তৃণমূলনেত্রী। তারকাদের স্টারডম কাজে লাগিয়ে নির্বাচনী বৈতরণী পেরনোর চেষ্টায় রাজ্যের শাসকদল। তৃণমূলের এবারের প্রার্থী তালিকায় তাই তারকাদের ছড়াছড়ি।

এর আগেও তৃণমূলে যোগ দিয়ে বিধায়ক, সাংসদ হতে দেখা গিয়েছে টলিউড ইন্ডাস্ট্রির অনেককে। কে নেই সেই তালিকায়? প্রয়াত তাপস পাল থেকে শুরু করে শতাব্দী রায়, দেব, নুসরত, মিমি, চিরঞ্জিৎ প্রত্যেকেই শাসকদলে নাম লিখিয়ে টিকিট পেয়েছেন এবং জিতেওছেন। একুশের ভোটের আগে ফের তৃণমূলে টলি পাড়ার একঝাঁক কলাকুশলী যোগ দিয়েছেন। এবার তাঁদেরও নিরাশ করেননি তৃণমূল সুপ্রিমো। সদ্য দলে যোগ দেওয়া প্রায় প্রত্যেককেই বিধানসভা ভোটে টিকিট দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।