কলকাতাঃ  অমিত শাহের সভা শেষ হতেই রণক্ষেত্র কাঁথি। বিজেপি কর্মীদের মারধর করার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, অমিত শাহের সভায় আসা এমন ৫০ থেকে ৬০টি বাস ভাঙচুরের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। যদিও এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি পালটা দাবি করেছেন, সভা থেকে ফেরার পথে পালটা তৃণমূল কার্যালয়ে অবাধে ভাঙচুর চালিয়েছে বিজেপি। একই প্রসঙ্গে কার্যত হুঁশিয়ারির সুরে তৃণমূলের যুবরাজ বলেন, ইট বোমা ছুঁড়লে কি রসগোল্লা খাওয়াবো?

এই প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, এলাকার সিপিএমের হার্মাদরাই এখন বিজেপিতে গিয়েছে। আর তারাই এই কাজ ঘটিয়েছে বলে দাবি তাঁর। আর এই ঘটনার প্রতিবাদে আগামীকাল বুধবার উত্তর এবং দক্ষিণ কাথি বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল বিশাল ধিক্কার মিছিল বের করবে বলেও জানিয়েছেন শুভেন্দু।

শুধু তাই নয়, যে মাঠে অমিত শাহ সভা করেছেন সেখানেই এর তিনগুণ বড় সভা করবেন বলেও জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। আর সেই সভায় অমিত শাহের সভার পাঁচগুণ লোক আসবে বলেও দাবি করেছেন তৃণমূলের অন্যতম এই হেভিওয়েট নেতা। তাঁর মতে, তৃণমূল কংগ্রেস প্রতিহিংসার রাজনীতি করে না। রাজনৈতিকভাবে জবাব দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন শুভেন্দু।

অন্যদিকে অমিত শাহকে রীতিমত চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, দিল্লি থেকে যত নেতাই বাংলায় আসুক না কেন, কোনও লাভ হবে না। তাঁর কটাক্ষ, ‘আগে দিল্লি সামলান, পরে বাংলা সামলানোর দিবাস্বপ্ন দেখবেন। শুধু তাই নয়, আগামী লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল ৪২-এ-৪২টাই পাবে বলেও দাবি করেছেন মমতা ঘনিষ্ঠ এই নেতা।

প্রসঙ্গত, অমিত শাহের জনসভা শেষ হওয়ায় পরই ভাঙচুর চলল দলীয় সমর্থকদের বাসে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়।

সভায় আসা জেলার বিভিন্ন প্রান্তের গাড়িগুলি ১১৬ বি জাতীয় সড়কের পাশে রাখাছিল। সভা চলাকালীন সভায় আসা ৫০/৬০ টি বাস ও ট্রেকার ভাঙচুর চালায় দুষ্কৃতীরা। স্থানীয় তৃণমূলের মদতে এই ভাঙচুর চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ। মুকুল রায় জানিয়েছেন, গনতান্ত্রিক ভাবে শাসকদলের আশ্রিত দুষ্কৃতিরা এই ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে। যদিও তৃণমূলের জেলা সভাপতি শিশির অধিকারী এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এলাকায় অশান্তি সৃষ্টি করা জন্য নিজেরাই এই ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা