স্টাফ রিপোর্টার, তমলুক: অতীত টেনে ভবিষ্যতের দাওয়াইয়ের কথা স্মরণ করালেন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী৷ হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়ে দিলেন, ‘‘অক্ষয় তৃতীয়া। একটা অমাবস্যা গিয়েছে। বাড়াবাড়ি করলে একমাস পর অমাবস্যা আর দেখতে হবে না। আমি ডেট দিয়ে গেলাম, ২৫ মে৷’’

পরিবহণ মন্ত্রীর নেক নজরে যে বিজেপি পূর্ব মেদিনীপুরের নেতারা তা এদিন হুঁশিয়ারি দিয়ে স্পষ্ট করে দিয়েছেন৷ তবে কোনও হুমকিই যে কাজে লাগবে না খেজুরিকে দাঁড়িয়ে তা জানিয়ে দেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ৷ ২৩ মে পর তৃণমূল নেতাদের আর দেখা যাবে না বলে পালটা দেন মেদিনীপুরের গেরুয়া শিবিরের এই প্রার্থী৷

পূর্ব মেদিনীপুরের বাকচার ইসমালিচক হস্টেল মাঠে তমলুকের তৃণমূল প্রার্থী দিব্যন্দু অধিকারীর সমর্থনে প্রচার সভা ছিল৷ সেখানেই বক্তব্য রাখছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী৷ প্রচারে বিজেপিকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন তিনি৷ বলেন, ‘‘25 মে শেষ দিন। তারপর কী করতে হয় শুভেন্দু অধিকারী জানে। যেমন অসুখ তেমন ওষুধ আছে। আমি বাড়তে দিচ্ছি বলে, অনেকের হয়তো কষ্ট হচ্ছে। আমার উপর ভরসা করে একটু সময় দিন।’’

তৃণমূলের প্রচার সভার মঞ্চ থেকে মন্ত্রী বেশ কয়েকজনের নাম বলেন৷ তারপরই তাদের অতীত মনে করিয়ে দিয়ে চড়া সুরে বলেন, ‘‘মদন ভৌমিক, আশিস ভৌমিক, পিন্টু ভঞ্জ, নিমাই মণ্ডল, উত্তম সিং, পঞ্চানন মণ্ডল, ধ্রুব রাউত, নাড়ু মণ্ডল, বিজয় ভুঁইঞা, মহেন্দ্র বাড়ুই, ইন্দ্রজিৎ বারুই, সীমান্ত মণ্ডল, খোকন খুটিয়াদের নাম নিয়ে গেলাম। এরা অতীতটা জানে না। অতীত যদি জানে ভবিষ্যতে আর করবে না৷ আবার বলছি ভদ্রভাবে থাকুন’’

মন্ত্রীর অভিযোগ, পঞ্চায়েত নির্বাচন ও বোর্ড তৈরির পর থেকেই তমলুকের ওই এলাকায় মাধে মধ্যেই রাজনৈতিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে৷ দুষ্কৃতীরা এলাকা উত্তপ্ত করে। বোমা ফাটানো, সাধারণ মানুষকে হুমকি দিচ্ছে। তাদের শায়েস্তা করতেই সময় চেয়ে নেন শুভেন্দু অধিকারী৷