সন্দেহ আমাদের স্বাভাবিক প্রবৃত্তি। কারো প্রতি মনে কোন দ্বিধা থাকলেও সন্দেহের জন্ম হয়। কিন্তু গবেষণাপত্রে প্রমাণ মিলেছে যে যারা বেশি সন্দেহ করেন তাদের আয়ু কম হয়। বিদেশের একদল শিক্ষক ২৪ হাজার মানুষের ওপর এই অদ্ভুত গবেষণা করেছেন এবং এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন।

যারা সন্দেহপ্রবণ হন তাদের মাথায় সারাক্ষণ ভুল বা নেতিবাচক চিন্তাভাবনা ঘুরতে থাকে। এর ফলেই সেই ভাবনাগুলি তাদের মননে প্রভাব ফেলে। তার থেকেই তারা আয়ুর দিক দিয়ে পিছিয়ে যান অনেকটাই। এই তথ্য বেশ চাঞ্চল্যকর। যাদের উপর গবেষণা চালানো হয় সেইসব মানুষের মধ্যে ৩৭ ভাগ জানিয়েছেন যে তারা অন্যকে বিশ্বাস করেন। বাকি ৫৮ ভাগ অন্যকে বিশ্বাস করেন না। আর ৫ ভাগ কোনো উত্তর দিতে পারেননি বা চাননি।

যুক্তরাষ্ট্রে যারা মৃত বলে তালিকাবদ্ধ সেই ব্যক্তিদের তালিকা গবেষণা করে দেখা যায় যে জীবদ্দশায় যারা ভালো কিছু নিয়ে চিন্তাভাবনা করতেন, তারাই বেশি দিন জীবিত ছিলেন। গবেষণায় আরও বলা হয়েছে যে সন্দেহপ্রবণ মানুষের তুলনায় যারা অন্যকে বিশ্বাস করতে পারেন তারা নাকি বেশি দিন বাঁচেন।

আরো পোস্ট- বাড়িতেই করোনা আক্রান্তরা করুন চিকিৎসা, পান দ্রুত সুস্থতা

যারা অন্যের ভুল বুঝে নিয়ে তাদেরকে ক্ষমা করে দিতে পারেন তারাও নাকি বাঁচেন বেশি দিন। আরও দেখা গেছে, বৃদ্ধ বয়সে মানুষ অনেক বেশি আশাবাদী হয়। কারণ সেই সময় তার কাছে হারানোর মতো কিছুই থাকে না। যারা অন্যকে বিশ্বাস করেন তাদের হৃদযন্ত্র ভালো থাকে। শুধু তাই নয়,বলা হয় যে তাদের হৃদযন্ত্রজনিত রোগও প্রায় ১৩ ভাগ কম হয়।

অন্যের প্রতি বিশ্বাস জীবনকে আরো সহজভাবে ভাবতে শেখায় ও আমাদের উন্নতিকে অনেক সহজ করতে পারে। তাই সুন্দর জীবনযাপন ও দীর্ঘায়ুর জন্য সন্দেহপ্রবণ মনোভাব থেকে নিজেকে দূরে রাখা শিখুন এবং মানুষকে বিশ্বাস করতে শিখতে হবে। কারণ তা নাহলে আপনিই শেষমেশ একা হয়ে পড়বেন। কিন্তু এটাও ভাবতে হবে যে খুব সহজেই অন্যকে বিশ্বাস করা ঠিক নয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.