মুম্বই: কিছুদিন আগেই শিবসেনা সাংসদ সঞ্জয় রাউত দাবি করেছিলেন সুশান্ত সিং রাজপুতের সঙ্গে তার বাবার সম্পর্ক খুব একটা ভালো ছিল না। সুশান্তের বাবার নাকি দ্বিতীয় বিয়ে হয়েছে আর সেই বিষয়টি মেনে নিতে পারেননি প্রয়াত অভিনেতা। এই মন্তব্যের জন্য এবার সঞ্জয় রাউতকে আইনি নোটিশ পাঠানো হলো সুশান্তের পরিবারের পক্ষ থেকে।

সুশান্তের এক কাজিন তথা বিজেপি বিধায়ক নীরজ সিং বাবলু শিবসেনার নেতাকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন। মন্তব্যের জন্য আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে ক্ষমা চাইতে হবে সঞ্জয় রাউত কে, এমনই দাবি করেছেন নীরজ সিং বাবলু। ক্ষমা না চাইলে তার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

দলের পত্রিকায় সঞ্জয় রাউত মন্তব্য করেন যে সুশান্তের বাবার দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে খুব একটা খুশি ছিলেন না অভিনেতা। তাই বাবার সঙ্গে সম্পর্ক নাকি তাঁর খারাপ হয়েছিল। সুশান্ত পরিবারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে বলা হয় এই মন্তব্য সম্পূর্ণ মিথ্যা‌। সুশান্তের মায়ের মৃত্যুর পর তাঁর বাবা কখনোই দ্বিতীয়বার বিবাহ করেননি। আর তাই এই মন্তব্যকে মানহানিকর বলে দাবি করেছেন তাঁরা।

নীরজ সিং বাবলু সংবাদমাধ্যমের ও
উপরেও ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন কীভাবে সত্যতা বিচার না করে এমন একটি মন্তব্য নিয়ে খবর তৈরি হয়? এর জন্য কিছু সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করতে পারেন বলে দাবি করেছেন।

সুশান্ত সিং রাজপুতের কাকু আরসি সিং নবভারত টাইমস এর কাছে বলেছেন, “উদ্ধব ঠাকরে ও আদিত্য ঠাকরের হয়ে সঞ্জয় রাউত এই খারাপ মন্তব্যটি করেছেন। সঞ্জয় রাউত এইসব মন্তব্য করে সুশান্তের বাবার ভাবমূর্তি খারাপ করতে চাইছেন। এই সমস্ত কথা বলে কারোর ভাবমূর্তি খারাপ করতে চাওয়া মোটেই ঠিক নয়।”

পত্রিকায় সঞ্জয় রাউত দাবি করেছিলেন যে
বাবার দ্বিতীয় বিবাহ কিছুতেই মেনে নিতে পারেননি সুশান্ত। তিনি লিখেছিলেন, “বাবার দ্বিতীয় বিবাহ সুশান্ত মেনে নিতে পারেননি। এই সত্যিটা বাইরে আসা উচিত যে কতবার সুশান্ত তাঁর পাটনার বাড়িতে গিয়েছেন। এই তদন্তে এটাও খতিয়ে দেখা উচিত কেন সুশান্ত সিং রাজপুতের সঙ্গে তার প্রাক্তন প্রেমিকা অঙ্কিতা লোখান্ডের বিচ্ছেদ হয়ে গেল। আর এই দুঃখজনক আত্মহত্যাকে রাজনৈতিক রং দেওয়া মোটেই ঠিক কাজ হচ্ছে না।”

১৪ জুন বান্দ্রার ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হয় সুশান্ত সিং রাজপুত এর মৃতদেহ। মুম্বই পুলিশ প্রথমে এই ঘটনার তদন্ত করছিল। তারা জানায় যে সুশান্ত আত্মঘাতী হয়েছেন এবং বহুদিন ধরে অবসাদে ভুগছিলেন। কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই বিহার পুলিশের কাছে রিয়া চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে অভিযোগ জানান সুশান্তের বাবা কে কে সিং। তারপরেই এই তদন্তে নামে বিহার পুলিশ। কিন্তু মুম্বই পৌঁছে তাদের সঙ্গে দ্বন্দ্ব লাগে মুম্বই পুলিশের। দুই রাজ্যের পুলিশের মধ্যে এমন দ্বন্দ্বের পর এই তদন্ত তুলে দেওয়া হয় সিবিআই এর হাতে। এই মুহূর্তে সিবিআই এই ঘটনার তদন্ত করছে।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও