চন্দ্রকোনা (পশ্চিম মেদিনীপুর): ফের হুঁশিয়ারি। তাতেই শোরগোল জঙ্গলমহলের পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রাম জেলায়। জনসংযোগ প্রচারে গিয়ে ঠাণ্ডা গলায় সিপিআইএম নেতা ও প্রাক্তন বিধায়ক সুশান্ত ঘোষের হুঁশিয়ারি কার হিম্মত আছে গায়ে হাত দিয়ে দেখাক। এই হুঁশিয়ারি বার্তার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।

পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম জেলা ছাড়িয়ে পার্শ্ববর্তী বাঁকুড়া, পুরুলিয়ার গ্রামে গ্রামে ছড়িয়েছে বাম জমানার দাপুটে মন্ত্রী তথা গড়বেতার প্রাক্তন সিপিআইএম বিধায়ক সুশান্ত ঘোষের জনসংযোগ।

ভিডিওতে স্পষ্ট প্রাক্তন মন্ত্রী বিভিন্ন গ্রামে ঢুকছেন। এক বৃদ্ধের সঙ্গে কথা বলার মাঝে কেউ একজন বলছে, কাকু জঙ্গলের মধ্যে মারধর চলছে। কেউ প্রতিবাদ করার নেই।

সব টিএমসি.. এর পরেই সুশান্ত ঘোষ বলছেন, এবার শুনে লে, আমি আসার পর যেদিন রোডে মিছিল করেছি তার পর কেউ গায়ে হাত দিয়ে দেখাক।

বাম জমানার মন্ত্রী সুশান্ত ঘোষের বিরুদ্ধে বেনাচাপড়া কঙ্কাল কান্ডের অভিযোগ আনা হয়। ২০১১ সালে সরকার পরিবর্তনের পরে সুশান্তবাবুু বিধায়ক থাকেন। পরে তাঁর জেল হয়। আইনি পথে জামিন নিয়ে গত ডিসেম্বরে টানা ৯ বছর পর পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় ফিরেছেন।

চন্দ্রকোনা রোডে জনসভা থেকেই তৃণমূল কংগ্রেস কে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, মিথ্যে মামলার পর্দা ফাঁস হয়েছে। এর পর শুরু হয়েছে সুশান্ত ঘোষের জনসংযোগ কর্মসূচি। গড়বেতা, চন্দ্রকোনা, শালবনী সহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় সিপিআইএমের তিনিই প্রধান প্রচার মুখ।

দলের তরফে তাঁকে জঙ্গলমহল বেষ্টিত বিধানসভাগুলির দায়িত্ব দেওয়া হয়। জনসংযোগ কর্মসূচিতে গিয়ে সুশান্ত ঘোষের হুঁশিয়ারির প্রতিক্রিয়া দিচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি।

তাদের অভিযোগ, সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি করতে চলেছেন সুশান্ত ঘোষ। আর সিপিআইএম নেতা সুশান্ত ঘোষের দাবি, তৃণমূল ও বিজেপি দুটি দলই রাজ্যের দূরাবস্থার জন্য দায়ি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।